u/Sea_Mirror6511

পিছুটান: পর্ব-২

প্রথম পর্ব: https://www.reddit.com/r/DhakaErotica_2/s/oLq8AuUSYK

ঐ ঘটনার পর বেশ কিছু সপ্তাহ কেটে যায়।

ঐদিন মূলত আম্মু মেইন দরজা খুলে পাশের বাসার আন্টিকে কিছু একটা দিতে গিয়েছিল। এই যাবে আর আসবে ভেবে দরজা লক করে নাই। অর্ণব ভাইয়ের স্মোকিংয়ের অভ্যাস থাকায় উনি আমার রুম ফাকা পেয়ে তার বারান্দায় দরজা লাগিয়ে স্মোক করছিলেন। ছাত্রের সামনে সম্ভবত খারাপ উদাহরণ সেট করতে চাননি। আম্মু আসার পর উনি তাড়াতাড়ি মাথা নিচু করে রুম থেকে বের হয়ে যান। ওটা দেখে আমার একটু হাসি পায় ngl।

এরপর থেকে উনি বাসার সবার সাথে বেশ মিশুক হলেও সঙগত কারণেই আমাকে কিছুটা এভয়েড করে চলতেন। কিন্তু টুকটাক যাই ইন্টারেকশন হত তাতে পরিষ্কার ছিল যে আমাদের মধ্যে সেক্সুয়াল টেনশন আছে। কিন্তু উনি হিন্দু আর আমি মুসলিম হওয়ায় পুরো ব্যাপারটাকে বেশ ট্যাবু মনে হত। মাথায় এসব চিন্তা আসলে আস্তাগফিরুল্লাহ পরতাম। কিন্তু উনার সেই চওড়া কাধ, কপালে পড়ে থাকা উসখুখুশখু চুল, শক্ত হাতে ভেসে থাকা শিরা বারবার চোখের সামনে ভাসত।

একদিন বিকাল ৬-৬:৩০ এর দিকে,প্রায় সন্ধ্যাই বলা যায়,ছাদ থেকে কাপড় তুলতে গেলাম। গরমের দিনে সাধারণত বারান্দায়ই কাপড় শুকিয়ে যায়। তবে সেদিন চাদর,পর্দা এসব ভারী,বড় আর মোটা কাপড় থাকায় ছাদে দিতে হয়েছিল।

একটা বালতি নিয়ে গেলাম একাই কাপড় তুলতে।

দেখি ছাদের কার্নিশের সাথে হেলান দিয়ে উনি সিগারেট ফুকছেন।

আমাকে দেখে বললেন-

-কি ব্যাপার রোদশী? ছাদে কি জন্য?

আমি বললাম কাপড় তুলতে এসেছি। উনি তখন হেল্প অফার করলেন। আমি বললাম যে না না আমি পারব। কিন্তু তাও ভারী চাদর আর পর্দাগুলো তুলতে সাহায্য করতে থাকলেন।

-আমি যে সিগারেট খাই এটা তোমার বাসায় কাউকে বলার দরকার নেই। ওকে?

আমি একটু সার্কাস্টিকালি বললাম

-কেন বললে কি হবে?

একটু মৃদু হেসে বললেন

-আরেহ তেমন কিছুই না। সবাই আমাকে এত ভালো মনে করে। সিগারেটের কারণে আমার ক্লিন ইমেজটা নষ্ট হবে।

-আপনি তো বাসার সবার সাথেই অনেক ফ্রেন্ডলি। জাস্ট আমি ছাড়া।

হাসির ছলেই কথাটা বললাম।

তখন এক সেকেন্ডের জন্য উনি কাজ থামিয়ে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। আমিও উনার দিকে একপলক তাকিয়ে রইলাম। কিছু বুঝে ওঠার আগেই একহাত দিয়ে আমার কোমর ধরে টান দিয়ে নিজের কাছে নিয়ে গেলেন। আমার পেট,তলপেট,উরু উনার শরীরের নিচের অংশের সাথে একদম লেগে রইল।

বড় বড় চাদর,পর্দার আড়ালে ইনি আরেক হাত দিয়ে আমার মাথার পেছনের চুল শক্ত করে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট বসিয়ে দিলেন। এভাবে এরাউন্ড ৬-৮ সেকেন্ড কিস করলেন।

প্রথম কিস যে এমন হবে ভাবিনি। খুব স্লপি ছিল। ঠোঁট বারবার পিছলিয়ে যাচ্ছিল কিন্তু উনি বারবার ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরছিলেন।

আমি প্রথমে কিছু বুঝতে পারিনি যে কি হচ্ছে। যখন একটু হুশ ফিরল নিজেকে একটু ছাড়িয়ে নিতে চেষ্টা করলাম। উনার বুকে একহাত দিয়ে একটু পুশ করলাম।

তখন উনি প্রথমে আমার ঐ হাত তারপর আমার আরেক হাত নিজের একহাত দিয়ে পেছনের দিকে ধরে,আরেক হাত দিয়ে আমার হিপ প্রেস করতে থাকলেন।

একবার নিতম্বে চাপ দেন আরেকবার স্তনে। কাপড়ের উপর দিয়েই নিপল ধরে টুইস্ট করেন বেশ কয়েকবার। অনেকটা ব্যাথা পেয়েছিলাম। বুক থেকে হাত নামিয়ে তারপর হিপেও অনেক জোরে জোরে প্রেস করেন একনাগাড়ে অনেকক্ষণ।

তারপর ইচ্ছামত দুই হিপে থাপ্পড় দেন বেশ কয়েকটা। প্রতিবার স্প্যান্ক করছিলেন and I could feel myself getting wetter each time. And I also felt him getting harder.

এভাবে এরাউন্ড ৫-৭ মিনিট মেকআউট হয়।

তারপর উনি আমাকে ছাড়লে আমি উনার চোখের দিকে তাকাতে পারছিলাম না একদমই। সেদিন উনি মাথা নিচু করেছিলেন আর আজকে আমি।

-এটার কথাও বাসায় বলার দরকার নাই। ওকে?

এরপর উনি চলে গেলেন।

আমি সেখানে ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলাম অনেকক্ষণ।

দুই উরু একদম ভিজে পিচ্ছিল হয়েছিল।

লজ্জা,অপমান,ভালোলাগা, কামনা সব একসাথে কাজ করছিল।।

reddit.com
u/Sea_Mirror6511 — 14 hours ago

পিছুটান:পর্ব-১

আমার বয়স তখন ১৬/১৭।২০১৭ সালের কথা। বাবার পোস্টিং রাজশাহীতে। আমাদের ৪ জনের ফ্যামিলি-আমি,বড় ভাই,আম্মু আর বাবা।

আমার বড় ভাই আমার থেকে ৪-৫ বছরের বড়। এডমিশন পরীক্ষার্থী। মেডিকেল এসপিরেন্ট। পোস্টিং হওয়ার পরে আমাকে ওখানকার একটা লোকাল স্কুলে ভর্তি করানো হয়। ক্লাস নাইনে। ভাইয়ের এইচএসসি পরীক্ষা শেষ। এখন এডমিশনের জন্য ভালো টিউটর দরকার। বাবা-মা কিছুতেই রাজি হচ্ছিল না ভাইকে একা ঢাকায় পাঠাতে এডমিশন প্রিপারেশন নেয়ার জন্য। তাই ওকে রাজশাহীর উন্মেষ ব্রাঞ্চে ভর্তি করানো হয়। তার পাশাপাশি টিউটর খোজা হচ্ছিল এক্সট্রা কেয়ারের জন্য।

স্কুলে যাওয়ার পর আমার প্রথম প্রথম এডজাস্ট হতে বেশ সমস্যা হচ্ছিল। আমি এমনিতেই ইন্ট্রোভার্ট।

তখন আমার দেখা হয় অনিমার সাথে। হিন্দু মেয়ে। বেশ হাসিখুশি, এক্সট্রোভার্ট। খুব অল্প সময়েই আমাদের বন্ধুত্ত্ব হয়ে যায়। আম্মুর সাথে অনিমার মায়ের পরিচয় করিয়ে দেই। আন্টিও বেশ ভালো মানুষ ছিলেন। কথার ছলে ছলে আন্টি জানান যে অনিমারা তিন ভাই-বোন। অনিমা মেঝো। ওর ছোট ভাই ক্লাস ফোর আর বড় ভাই রাজশাহী মেডিকেলের ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র।

"বৌদি আমার ছেলে তো এবার এইচএসসি দিল। আমাদের ইচ্ছা ওকে মেডিকেলে পড়াব। আপনার ছেলে কি টিউশনি করায়?"

"করাত আগে। কিন্তু পড়াশোনার চাপে কয়েকবছর ধরে করায় না" "তাও ওকে একটু জিজ্ঞেস করিয়েন। অন্তত কাউকে ম্যানেজ করে দিতে পারলে ভালো হয়।" "আচ্ছা জিজ্ঞেস করবোনে।"

পরদিন স্কুল থেকে ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরলাম৷ সোমবার ছিল সম্ভবত। গ্রীষ্মের বিভৎস গরম তার উপরে আবার উত্তরবঙ্গ। বাসায় ফিরে দেখলাম দরজায় লক দেওয়া নাই। সোজা ঢুকে লক লাগায় আমি দিলাম দৌড় গোসলের জন্য। তখন আমি সুলতান সুলেমান টিভি সিরিজের বিশাল ফ্যান ছিলাম। ওদের হাম্মামের সিনগুলোয় দেখা যেত টাওয়াল পেচায় ওরা গোসল করত। দেখাদেখি আমিও তাই করতাম এবং এটার জন্য আম্মুর কাছে বেশ বকাও খেতাম। যাইহোক শাওয়ার নিয়ে, সরাসরি ওয়াশরুম থেকেই জামা কাপড় পরে না বের হয়ে আমি আমার বেবি ব্লু কালারের টাওয়াল পেচায় বের হই। থাই পর্যন্ত লেংথ ছিল।

আমি মনের সুখে পাউডার লাগাচ্ছি। ছোট খালামনির আমেরিকা থেকে পাঠানো বিশাল বড় জনসন পাউডারের বোতল। এমন সময় বারান্দার দরজা খোলার সাউন্ড হল। আমার রুমে বারান্দার সামনেই ড্রেসিং টেবিল ছিল। তার সামনে বসে ড্রেসিং টেবিলের উপর এক পা তুলে পাউডার লাগাচ্ছিলাম।

দরজা খুলে দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ হলো আর পুরা রুম সিগারেটের কড়া গন্ধে ভরে গেল। আমি আচমকা ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় তাকিয়ে দেখি বেশ লম্বা একজনের অবয়ব। সাথে সাথে বসা থেকে উঠে পিছনে ফিরে দাড়াই।

অর্ণব ভাইয়ের সাথে সেই আমার প্রথম দেখা। ৫'১০"-৫'১১" হাইট। প্রশস্ত কাধ। উস্কোখুস্কো চুল। হালকা তামাটে গায়ের রং। গালে খোচাখোচা দাড়ি।

উনি আমাকে দেখে অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন। সেই সাথে আমিও। মনে হচ্ছিল পায়ের তলার মাটি সরে যাক আর আমি ঢুকে যাই। একহাতে বুকের কাছে টাওয়াল ধরে আরেক হাত দিয়ে থাইয়ের কাছে টাওয়াল টানতে থাকার ব্যর্থ প্রচেষ্টা চালাতে থাকলাম।

এমন সময় হঠাৎ কলিংবেল বেজে উঠল।।

reddit.com
u/Sea_Mirror6511 — 3 days ago