u/ShockMany977

স্রোত - পর্ব #৩

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

তুলি ডানদিকের করিডর ধরে হাঁটা দিল। ওয়াশরুমে ঢুকে ব্যাগটা দরজার হুকে ঝুলিয়ে বড় করে নিঃশ্বাস ছাড়লো। গাড়ির ভেতর কি একটা বিব্রতকর একটা পরিস্থিতিতে পড়েছে! মাঝে মাঝে ওরা যা করে না! সালোয়ার টা নামিয়ে চুপচাপ বসে জামাটা তুলে নিলো। আকাশী রঙের লেইসের প্যান্টিটা ভিজে জবজবে, সালোয়ারটাও ভিজিয়ে দিয়েছিল প্রায়। ক্লীনশেভ করা যোনীর চারপাশে রসে জড়িয়ে গেছে। এখনও রস বেরোচ্ছে। আবারো একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। টিস্যু নিয়ে পরিস্কার করার জন্য যোনীতে লাগাতেই শরীর কেঁপে উঠলো। মন চাইছে জ্বালা মিটিয়ে তবেই বের হবে। কি মনে করে টিস্যুটা ফেলে আঙ্গুল দিয়ে যোনীর ঠোঁটদুটো ফাঁক করে নিল। গড়িয়ে কিছুটা রস বেরিয়ে এল, আঙ্গুলদুটো ভিজে পিচ্ছিল। গোলাপী ঠোঁটদুটো বেশ লালচে ফুলে আছে, কড়ে আঙ্গুলের মাথার মত ছোট ক্লিটোরিস পাঁপড়ির ভাঁজ থেকে উঁকি দিচ্ছে। চোখ বন্ধ করে ক্লিটোরিস টা একটু ছুঁয়ে নিল। গাড়ির কথা গুলো মনের ভেতর তোলপাড় চালাচ্ছে।

হুট করে বাস্তবে ফিরে এল সে। জলদি টিস্যু নিয়ে যতটা পারে সাফ হয়ে নিল। ওদিকে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে বোধহয়। জলদি সব ঠিক করে চটপট ফ্রেশ হয়ে নিল। ওসব ভাবার সময় নেই। দ্রুতপায়ে ক্লাসের দিকে চলল তুলি। ভেজা প্যান্টিটা একটা অস্বস্তি অনুভুতি দিচ্ছে, তার উপর এখন সমানে রস ঝরছে। ক্লাসের সামনে গিয়ে ভেতরে উঁকি দিল, অনু আর প্রিয়তা ক্লাসে ঢুকে পড়েছে, গিয়ে ওদের পাশে বসে পড়ল।

আজ তিনজনেরই ক্লাসে একেবারে মন নেই, যদিও তিনজনের মনে আলাদা চিন্তা। অনু ভাবছে তার স্বপ্নের কথা, তুলি তার ভেজা প্যান্টির অস্বস্তি নিয়ে চুপচাপ পা চেপে বসে ছিল, প্রতিবার নড়াচড়ায় যোনী থেকে আরও রস গড়িয়ে প্যান্টি ভিজিয়ে দিচ্ছিল। আর প্রিয়তা, সে তার মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত। নতুন লেকচারার জাহিদ হোসাইন এখনো পড়ানোর ছন্দ খুঁজে পাননি, তাই স্টূডেন্টরাও মনযোগ দিচ্ছে না। অবশ্য দেখতে বেশ হ্যান্ডসাম, ভার্সিটির সব মেয়েদের ক্রাশ বলা যায়। লম্বা, মাঝারি গড়ন, লম্বাটে চেহারা আর চওড়া চোয়াল, চোখে রিমলেস চশমা, সব মিলিয়ে ভালোই। কথাবার্তায় একটা কনফিডেন্স আছে, কিন্তু পড়ানোর স্টাইল টা এখনো আসেনি। অনু তার দিকে তাকিয়ে অজান্তেই একটু বেশি সময় চোখ রাখল। "এত হ্যান্ডসাম লোক আবার সিঙ্গেল হয় কিভাবে?", পাশ থেকে অনুর কানে কানে বলল প্রিয়তা। অনুর চোখ পড়ল প্রিয়তার ফোনের স্ক্রিনে। মাত্রই তোলা একটা স্ন্যাপ, ক্লিভেজ বেরিয়ে আছে, বুক যেন পাহাড়ের মত উঁচিয়ে আছে। নিচে ক্যাপশন লিখা, "Here is your appetizer"। অনু চোখ সরিয়ে নিল, বলল, "কে জানে, হয়ত পার্সোনাল লাইফ নিয়ে কথা বলা তার পছন্দ নয়।"

"দেখিস দুইদিন পর কোন স্টুডেন্ট পটিয়ে নিয়েছে।"

অনুর মনটা একটু খারাপ হল। প্রিয়তা কি কোন রিলেশনে আছে? থাকলে অন্তত অনু জানতো। তাহলে কাকে ছবি পাঠাচ্ছে? ওদের মধ্যে কি চলছে? প্রিয়তা কি সেই ছেলের সাথে সেক্স করেছে? নাহ, ও এরকম করবে না, এসব নিয়ে কাউকে কাছেই ঘেঁষতে দেয় না প্রিয়তা। কিন্তু হতেও তো পারে, প্রিয়তাও তো সদ্য যুবতী, ওর শরীর ও আর দশটা মানুযের মতই, তাহলে? নানা প্রশ্নে অনু আবারো অন্যমনস্ক গেল।

"মিঃ অনুপম,...", হঠাৎ একটা ভারী কণ্ঠে বাস্তবে ফিরে এলো অনু।

"ক্যান ইউ প্লিজ এক্সপ্লেইন দ্য কনসেপ্ট অফ নিউরাল নেটওয়ার্ক", লেকচারার জাহিদ বললেন।

"স্যরি স্যার, আই এম হ্যাভিং আ হার্ড টাইম গ্রাস্পিং দিস।" অনু ইতস্তত করে উত্তর দিল।

জাহিদ স্যার হালকা হাসলেন। তার চোখের দৃষ্টিতে একটা অদ্ভুত উষ্ণতা।

"ওহ রিয়েলী? ইটস ইম্পর্টেন্ট দ্যাট ইউ আস্ক কোয়েশ্চেনস ইন সাচ কেইসেস। প্লীজ সীট, আই উইল গো থ্রু দিস টপিক ওয়ান্স মোর, বাট প্লিজ ফোকাস অন দ্য লেকচার" মিঃ জাহিদ আবারো লেকচার শুরু করলেন।

অনু বসে পড়ল। বেশ কষ্ট করেই লেকচারে মনযোগ দিল। খেয়াল করল, জাহিদ স্যারের কথা বলার ভঙ্গিতে একটা মোহ আছে, বেশ গুছিয়ে কথা বলতে পারে। ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়লে বেশ ভালো কবি, নয় আবৃত্তিকারক অথবা সংবাদপাঠক হতে পারতো। ক্লাস শেষে এসাইনমেন্ট দিয়ে চলে গেলেন লেকচারার।

সারাদিন তেমন কোন ঘটন অঘটন ছাড়াই কেটে গেল, বিকেল পর্যন্ত টানা ক্লাস করে ক্লান্ত সবাই। ক্লাস থেকে বেরিয়ে প্রিয়তা বলল, "ধুর বাল, আর ভালো লাগে না ক্লাস, বিজনেস শুরু করব।", তুলি কিছু একটা বলতে যাবে, অমনি প্রিয়তার ফোন বেজে উঠল। মুচকি হেসে প্রিয়তা বলল, "তোরা ক্যান্টিনে যা, আমি একটু লাইব্রেরি থেকে আসছি", বলেই সিড়িঁ বেয়ে চারতলায় লাইব্রেরির দিকে হাঁটা দিল।

"ওর আবার লাইব্রেরি যাওয়ার ভূত ধরলো কবে? চলো তুলি, ক্যান্টিনে বসে চা খেয়ে নিই।" অনু বলল।

দুজনে ক্যান্টিনে বসে আলাপে মশগু।।

চারতলায় প্রিয়তা সিড়িঁতে দাঁড়িয়ে হাপাচ্ছে। দুইতলা থেকে দৌড়ে উঠেছে, লিফট নেওয়া দরকার ছিল, ভাবছে সে। ফোনটা বের করে, কিছুক্ষন আগের পাওয়া মেসেজটা আবার চেক করল।

"চারতলায় আয়"

চটপট টাইপ করল সে, "কোথায় তুই?"

টিং... রিপ্লাই এসেছে, "মেনস টয়লেটে আয়"।

প্রিয়তার ঠোঁটে একটা দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল। সে চারপাশটা দেখে নিয়ে পুরুষদের টয়লেটের দিকে এগিয়ে গেল। দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই পেছন থেকে একটা শক্ত হাত তার কোমর জড়িয়ে ধরল.........

ব্যস্ততার কারনে এই সপ্তাহে একটু দেরি হয়ে গেল। আশা করি পরের সপ্তাহ থেকে টাইমলি পাবলিশ করতে পারব।

reddit.com
u/ShockMany977 — 11 days ago

স্রোত - পর্ব #৩

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

তুলি ডানদিকের করিডর ধরে হাঁটা দিল। ওয়াশরুমে ঢুকে ব্যাগটা দরজার হুকে ঝুলিয়ে বড় করে নিঃশ্বাস ছাড়লো। গাড়ির ভেতর কি একটা বিব্রতকর একটা পরিস্থিতিতে পড়েছে! মাঝে মাঝে ওরা যা করে না! সালোয়ার টা নামিয়ে চুপচাপ বসে জামাটা তুলে নিলো। আকাশী রঙের লেইসের প্যান্টিটা ভিজে জবজবে, সালোয়ারটাও ভিজিয়ে দিয়েছিল প্রায়। ক্লীনশেভ করা যোনীর চারপাশে রসে জড়িয়ে গেছে। এখনও রস বেরোচ্ছে। আবারো একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। টিস্যু নিয়ে পরিস্কার করার জন্য যোনীতে লাগাতেই শরীর কেঁপে উঠলো। মন চাইছে জ্বালা মিটিয়ে তবেই বের হবে। কি মনে করে টিস্যুটা ফেলে আঙ্গুল দিয়ে যোনীর ঠোঁটদুটো ফাঁক করে নিল। গড়িয়ে কিছুটা রস বেরিয়ে এল, আঙ্গুলদুটো ভিজে পিচ্ছিল। গোলাপী ঠোঁটদুটো বেশ লালচে ফুলে আছে, কড়ে আঙ্গুলের মাথার মত ছোট ক্লিটোরিস পাঁপড়ির ভাঁজ থেকে উঁকি দিচ্ছে। চোখ বন্ধ করে ক্লিটোরিস টা একটু ছুঁয়ে নিল। গাড়ির কথা গুলো মনের ভেতর তোলপাড় চালাচ্ছে।

হুট করে বাস্তবে ফিরে এল সে। জলদি টিস্যু নিয়ে যতটা পারে সাফ হয়ে নিল। ওদিকে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে বোধহয়। জলদি সব ঠিক করে চটপট ফ্রেশ হয়ে নিল। ওসব ভাবার সময় নেই। দ্রুতপায়ে ক্লাসের দিকে চলল তুলি। ভেজা প্যান্টিটা একটা অস্বস্তি অনুভুতি দিচ্ছে, তার উপর এখন সমানে রস ঝরছে। ক্লাসের সামনে গিয়ে ভেতরে উঁকি দিল, অনু আর প্রিয়তা ক্লাসে ঢুকে পড়েছে, গিয়ে ওদের পাশে বসে পড়ল।

আজ তিনজনেরই ক্লাসে একেবারে মন নেই, যদিও তিনজনের মনে আলাদা চিন্তা। অনু ভাবছে তার স্বপ্নের কথা, তুলি তার ভেজা প্যান্টির অস্বস্তি নিয়ে চুপচাপ পা চেপে বসে ছিল, প্রতিবার নড়াচড়ায় যোনী থেকে আরও রস গড়িয়ে প্যান্টি ভিজিয়ে দিচ্ছিল। আর প্রিয়তা, সে তার মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত। নতুন লেকচারার জাহিদ হোসাইন এখনো পড়ানোর ছন্দ খুঁজে পাননি, তাই স্টূডেন্টরাও মনযোগ দিচ্ছে না। অবশ্য দেখতে বেশ হ্যান্ডসাম, ভার্সিটির সব মেয়েদের ক্রাশ বলা যায়। লম্বা, মাঝারি গড়ন, লম্বাটে চেহারা আর চওড়া চোয়াল, চোখে রিমলেস চশমা, সব মিলিয়ে ভালোই। কথাবার্তায় একটা কনফিডেন্স আছে, কিন্তু পড়ানোর স্টাইল টা এখনো আসেনি। অনু তার দিকে তাকিয়ে অজান্তেই একটু বেশি সময় চোখ রাখল। "এত হ্যান্ডসাম লোক আবার সিঙ্গেল হয় কিভাবে?", পাশ থেকে অনুর কানে কানে বলল প্রিয়তা। অনুর চোখ পড়ল প্রিয়তার ফোনের স্ক্রিনে। মাত্রই তোলা একটা স্ন্যাপ, ক্লিভেজ বেরিয়ে আছে, বুক যেন পাহাড়ের মত উঁচিয়ে আছে। নিচে ক্যাপশন লিখা, "Here is your appetizer"। অনু চোখ সরিয়ে নিল, বলল, "কে জানে, হয়ত পার্সোনাল লাইফ নিয়ে কথা বলা তার পছন্দ নয়।"

"দেখিস দুইদিন পর কোন স্টুডেন্ট পটিয়ে নিয়েছে।"

অনুর মনটা একটু খারাপ হল। প্রিয়তা কি কোন রিলেশনে আছে? থাকলে অন্তত অনু জানতো। তাহলে কাকে ছবি পাঠাচ্ছে? ওদের মধ্যে কি চলছে? প্রিয়তা কি সেই ছেলের সাথে সেক্স করেছে? নাহ, ও এরকম করবে না, এসব নিয়ে কাউকে কাছেই ঘেঁষতে দেয় না প্রিয়তা। কিন্তু হতেও তো পারে, প্রিয়তাও তো সদ্য যুবতী, ওর শরীর ও আর দশটা মানুযের মতই, তাহলে? নানা প্রশ্নে অনু আবারো অন্যমনস্ক গেল।

"মিঃ অনুপম,...", হঠাৎ একটা ভারী কণ্ঠে বাস্তবে ফিরে এলো অনু।

"ক্যান ইউ প্লিজ এক্সপ্লেইন দ্য কনসেপ্ট অফ নিউরাল নেটওয়ার্ক", লেকচারার জাহিদ বললেন।

"স্যরি স্যার, আই এম হ্যাভিং আ হার্ড টাইম গ্রাস্পিং দিস।" অনু ইতস্তত করে উত্তর দিল।

জাহিদ স্যার হালকা হাসলেন। তার চোখের দৃষ্টিতে একটা অদ্ভুত উষ্ণতা।

"ওহ রিয়েলী? ইটস ইম্পর্টেন্ট দ্যাট ইউ আস্ক কোয়েশ্চেনস ইন সাচ কেইসেস। প্লীজ সীট, আই উইল গো থ্রু দিস টপিক ওয়ান্স মোর, বাট প্লিজ ফোকাস অন দ্য লেকচার" মিঃ জাহিদ আবারো লেকচার শুরু করলেন।

অনু বসে পড়ল। বেশ কষ্ট করেই লেকচারে মনযোগ দিল। খেয়াল করল, জাহিদ স্যারের কথা বলার ভঙ্গিতে একটা মোহ আছে, বেশ গুছিয়ে কথা বলতে পারে। ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়লে বেশ ভালো কবি, নয় আবৃত্তিকারক অথবা সংবাদপাঠক হতে পারতো। ক্লাস শেষে এসাইনমেন্ট দিয়ে চলে গেলেন লেকচারার।

সারাদিন তেমন কোন ঘটন অঘটন ছাড়াই কেটে গেল, বিকেল পর্যন্ত টানা ক্লাস করে ক্লান্ত সবাই। ক্লাস থেকে বেরিয়ে প্রিয়তা বলল, "ধুর বাল, আর ভালো লাগে না ক্লাস, বিজনেস শুরু করব।", তুলি কিছু একটা বলতে যাবে, অমনি প্রিয়তার ফোন বেজে উঠল। মুচকি হেসে প্রিয়তা বলল, "তোরা ক্যান্টিনে যা, আমি একটু লাইব্রেরি থেকে আসছি", বলেই সিড়িঁ বেয়ে চারতলায় লাইব্রেরির দিকে হাঁটা দিল।

"ওর আবার লাইব্রেরি যাওয়ার ভূত ধরলো কবে? চলো তুলি, ক্যান্টিনে বসে চা খেয়ে নিই।" অনু বলল।

দুজনে ক্যান্টিনে বসে আলাপে মশগু।।

চারতলায় প্রিয়তা সিড়িঁতে দাঁড়িয়ে হাপাচ্ছে। দুইতলা থেকে দৌড়ে উঠেছে, লিফট নেওয়া দরকার ছিল, ভাবছে সে। ফোনটা বের করে, কিছুক্ষন আগের পাওয়া মেসেজটা আবার চেক করল।

"চারতলায় আয়"

চটপট টাইপ করল সে, "কোথায় তুই?"

টিং... রিপ্লাই এসেছে, "মেনস টয়লেটে আয়"।

প্রিয়তার ঠোঁটে একটা দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল। সে চারপাশটা দেখে নিয়ে পুরুষদের টয়লেটের দিকে এগিয়ে গেল। দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই পেছন থেকে একটা শক্ত হাত তার কোমর জড়িয়ে ধরল.........

ব্যস্ততার কারনে এই সপ্তাহে একটু দেরি হয়ে গেল। আশা করি পরের সপ্তাহ থেকে টাইমলি পাবলিশ করতে পারব।

reddit.com
u/ShockMany977 — 11 days ago

স্রোত - পর্ব #৩

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

তুলি ডানদিকের করিডর ধরে হাঁটা দিল। ওয়াশরুমে ঢুকে ব্যাগটা দরজার হুকে ঝুলিয়ে বড় করে নিঃশ্বাস ছাড়লো। গাড়ির ভেতর কি একটা বিব্রতকর একটা পরিস্থিতিতে পড়েছে! মাঝে মাঝে ওরা যা করে না! সালোয়ার টা নামিয়ে চুপচাপ বসে জামাটা তুলে নিলো। আকাশী রঙের লেইসের প্যান্টিটা ভিজে জবজবে, সালোয়ারটাও ভিজিয়ে দিয়েছিল প্রায়। ক্লীনশেভ করা যোনীর চারপাশে রসে জড়িয়ে গেছে। এখনও রস বেরোচ্ছে। আবারো একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো। টিস্যু নিয়ে পরিস্কার করার জন্য যোনীতে লাগাতেই শরীর কেঁপে উঠলো। মন চাইছে জ্বালা মিটিয়ে তবেই বের হবে। কি মনে করে টিস্যুটা ফেলে আঙ্গুল দিয়ে যোনীর ঠোঁটদুটো ফাঁক করে নিল। গড়িয়ে কিছুটা রস বেরিয়ে এল, আঙ্গুলদুটো ভিজে পিচ্ছিল। গোলাপী ঠোঁটদুটো বেশ লালচে ফুলে আছে, কড়ে আঙ্গুলের মাথার মত ছোট ক্লিটোরিস পাঁপড়ির ভাঁজ থেকে উঁকি দিচ্ছে। চোখ বন্ধ করে ক্লিটোরিস টা একটু ছুঁয়ে নিল। গাড়ির কথা গুলো মনের ভেতর তোলপাড় চালাচ্ছে।

হুট করে বাস্তবে ফিরে এল সে। জলদি টিস্যু নিয়ে যতটা পারে সাফ হয়ে নিল। ওদিকে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে বোধহয়। জলদি সব ঠিক করে চটপট ফ্রেশ হয়ে নিল। ওসব ভাবার সময় নেই। দ্রুতপায়ে ক্লাসের দিকে চলল তুলি। ভেজা প্যান্টিটা একটা অস্বস্তি অনুভুতি দিচ্ছে, তার উপর এখন সমানে রস ঝরছে। ক্লাসের সামনে গিয়ে ভেতরে উঁকি দিল, অনু আর প্রিয়তা ক্লাসে ঢুকে পড়েছে, গিয়ে ওদের পাশে বসে পড়ল।

আজ তিনজনেরই ক্লাসে একেবারে মন নেই, যদিও তিনজনের মনে আলাদা চিন্তা। অনু ভাবছে তার স্বপ্নের কথা, তুলি তার ভেজা প্যান্টির অস্বস্তি নিয়ে চুপচাপ পা চেপে বসে ছিল, প্রতিবার নড়াচড়ায় যোনী থেকে আরও রস গড়িয়ে প্যান্টি ভিজিয়ে দিচ্ছিল। আর প্রিয়তা, সে তার মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত। নতুন লেকচারার জাহিদ হোসাইন এখনো পড়ানোর ছন্দ খুঁজে পাননি, তাই স্টূডেন্টরাও মনযোগ দিচ্ছে না। অবশ্য দেখতে বেশ হ্যান্ডসাম, ভার্সিটির সব মেয়েদের ক্রাশ বলা যায়। লম্বা, মাঝারি গড়ন, লম্বাটে চেহারা আর চওড়া চোয়াল, চোখে রিমলেস চশমা, সব মিলিয়ে ভালোই। কথাবার্তায় একটা কনফিডেন্স আছে, কিন্তু পড়ানোর স্টাইল টা এখনো আসেনি। অনু তার দিকে তাকিয়ে অজান্তেই একটু বেশি সময় চোখ রাখল। "এত হ্যান্ডসাম লোক আবার সিঙ্গেল হয় কিভাবে?", পাশ থেকে অনুর কানে কানে বলল প্রিয়তা। অনুর চোখ পড়ল প্রিয়তার ফোনের স্ক্রিনে। মাত্রই তোলা একটা স্ন্যাপ, ক্লিভেজ বেরিয়ে আছে, বুক যেন পাহাড়ের মত উঁচিয়ে আছে। নিচে ক্যাপশন লিখা, "Here is your appetizer"। অনু চোখ সরিয়ে নিল, বলল, "কে জানে, হয়ত পার্সোনাল লাইফ নিয়ে কথা বলা তার পছন্দ নয়।"

"দেখিস দুইদিন পর কোন স্টুডেন্ট পটিয়ে নিয়েছে।"

অনুর মনটা একটু খারাপ হল। প্রিয়তা কি কোন রিলেশনে আছে? থাকলে অন্তত অনু জানতো। তাহলে কাকে ছবি পাঠাচ্ছে? ওদের মধ্যে কি চলছে? প্রিয়তা কি সেই ছেলের সাথে সেক্স করেছে? নাহ, ও এরকম করবে না, এসব নিয়ে কাউকে কাছেই ঘেঁষতে দেয় না প্রিয়তা। কিন্তু হতেও তো পারে, প্রিয়তাও তো সদ্য যুবতী, ওর শরীর ও আর দশটা মানুযের মতই, তাহলে? নানা প্রশ্নে অনু আবারো অন্যমনস্ক গেল।

"মিঃ অনুপম,...", হঠাৎ একটা ভারী কণ্ঠে বাস্তবে ফিরে এলো অনু।

"ক্যান ইউ প্লিজ এক্সপ্লেইন দ্য কনসেপ্ট অফ নিউরাল নেটওয়ার্ক", লেকচারার জাহিদ বললেন।

"স্যরি স্যার, আই এম হ্যাভিং আ হার্ড টাইম গ্রাস্পিং দিস।" অনু ইতস্তত করে উত্তর দিল।

জাহিদ স্যার হালকা হাসলেন। তার চোখের দৃষ্টিতে একটা অদ্ভুত উষ্ণতা।

"ওহ রিয়েলী? ইটস ইম্পর্টেন্ট দ্যাট ইউ আস্ক কোয়েশ্চেনস ইন সাচ কেইসেস। প্লীজ সীট, আই উইল গো থ্রু দিস টপিক ওয়ান্স মোর, বাট প্লিজ ফোকাস অন দ্য লেকচার" মিঃ জাহিদ আবারো লেকচার শুরু করলেন।

অনু বসে পড়ল। বেশ কষ্ট করেই লেকচারে মনযোগ দিল। খেয়াল করল, জাহিদ স্যারের কথা বলার ভঙ্গিতে একটা মোহ আছে, বেশ গুছিয়ে কথা বলতে পারে। ইঞ্জিনিয়ারিং না পড়লে বেশ ভালো কবি, নয় আবৃত্তিকারক অথবা সংবাদপাঠক হতে পারতো। ক্লাস শেষে এসাইনমেন্ট দিয়ে চলে গেলেন লেকচারার।

সারাদিন তেমন কোন ঘটন অঘটন ছাড়াই কেটে গেল, বিকেল পর্যন্ত টানা ক্লাস করে ক্লান্ত সবাই। ক্লাস থেকে বেরিয়ে প্রিয়তা বলল, "ধুর বাল, আর ভালো লাগে না ক্লাস, বিজনেস শুরু করব।", তুলি কিছু একটা বলতে যাবে, অমনি প্রিয়তার ফোন বেজে উঠল। মুচকি হেসে প্রিয়তা বলল, "তোরা ক্যান্টিনে যা, আমি একটু লাইব্রেরি থেকে আসছি", বলেই সিড়িঁ বেয়ে চারতলায় লাইব্রেরির দিকে হাঁটা দিল।

"ওর আবার লাইব্রেরি যাওয়ার ভূত ধরলো কবে? চলো তুলি, ক্যান্টিনে বসে চা খেয়ে নিই।" অনু বলল।

দুজনে ক্যান্টিনে বসে আলাপে মশগু।।

চারতলায় প্রিয়তা সিড়িঁতে দাঁড়িয়ে হাপাচ্ছে। দুইতলা থেকে দৌড়ে উঠেছে, লিফট নেওয়া দরকার ছিল, ভাবছে সে। ফোনটা বের করে, কিছুক্ষন আগের পাওয়া মেসেজটা আবার চেক করল।

"চারতলায় আয়"

চটপট টাইপ করল সে, "কোথায় তুই?"

টিং... রিপ্লাই এসেছে, "মেনস টয়লেটে আয়"।

প্রিয়তার ঠোঁটে একটা দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল। সে চারপাশটা দেখে নিয়ে পুরুষদের টয়লেটের দিকে এগিয়ে গেল। দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই পেছন থেকে একটা শক্ত হাত তার কোমর জড়িয়ে ধরল.........

ব্যস্ততার কারনে এই সপ্তাহে একটু দেরি হয়ে গেল। আশা করি পরের সপ্তাহ থেকে টাইমলি পাবলিশ করতে পারব।

reddit.com
u/ShockMany977 — 11 days ago

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

চটপট শাওয়ার নিয়ে বের হতেই মায়ের গলা শুনতে পেল। খাবার খেতে ডাকছে। ঘরে গিয়ে কাপড় পরে নিল অনু, চুল আঁচড়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ডাইনিং রুমে গেল। ওর বাবা, রণজীত রয়, আগেই বসে আছে, পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছেন। রান্নাঘর থেকে কাজের মেয়েটা খাবার নিয়ে আসছে, পেছন পেছন ওর মা, বড় একটা কাঁসার পাত্র নিয়ে আসছেন।

"তোর জন্য কাঁচা আটার রুটি আর দেশি মুরগীর ঝোল করেছি। জলদি খেয়ে নে। এই ছন্দা, কাকাকে খাবার বেড়ে দে।"

কাজের মেয়ে রণজীত বাবুর পাতে তরকারী বেড়ে দিচ্ছে, আর অনুর মা, মমতা দেবী, নাম যেমন, ঠিক তেমন যত্নে ছেলেকে খাইয়ে দিতে লাগলেন।

"ছেলে বেশ বড় হয়েছে, এখনও খাইয়ে দিতে হবে?" ভরাট গলায় জিজ্ঞেস করলেন অনুর বাবা।

"একটাই ছেলে আমার, খাইয়ে দিলে ক্ষতি তো দেখছিনা, তাছাড়া তুমি সারাদিন অফিসে পড়ে থাকো, তা ওটা নিয়েই পড়ে থাকোনা, আমার ছেলের পিছনে লাগলে কেন?" অনুর মা কপাল কুঁচকে উত্তর দিলেন।

"আহা এখানে রাগের কি বললাম। যাইহোক, তোমার লেখাপড়ার কি খবর অনু?"

"ভালোই চলছে, এই সেমিস্টারে টপ করতে পারব কিনা জানিনা, তবে সমস্যা হবে না বোধহয়।"

"বেশ, I trust you. You are a smart boy, you can do it. By the way, you should eat more. You still look like a kid. Maybe start working out?"

"ওকে বাবা, আই উইল কীপ ইট ইন মাইন্ড।"

খাবার টেবিলে আর বেশি কথা হল না, কিছুটা খেয়ে উঠে দাঁড়ালো অনু, মা বাবাকে বিদায় জানিয়ে দরজার দিকে এগুলো, কাজের মেয়েটা ওর পিছু পিছু ব্যাগ নিয়ে আসছে।

"শোন, আমার কাপড়গুলো লন্ড্রিতে দিস, আর মাকে বলিস একটা ভাল বেডশীট দিতে", বলল অনু।

"ঠিক আছে দাদাভাই। আর কিছু করতে হবে?"

"বাথরুমের আয়নাটা ভাল করে সাফ করিস তো, আগের বার সাফ করা হয়নি"

"আচ্ছা।" বলেই কেমন যেন উশখুশ করতে লাগলো রূপা। "দাদাভাই, একটা কথা বলি?"

একটু আশ্চর্য হল অনু, সচরাচর মেয়েটা নিজ থেকে কিছু বলে না। "বল, কোন সমস্যা?"

"দাদাভাই, আমার ভাইটা ভর্তি পরীক্ষা দিবে, আপনের পুরান বইগুলা যদি একটু দিতেন, তাইলে ওইগুলা পড়তে পারতো।"

"ঠিকাছে, কিন্তু আমার বই তো ভর্তি পরীক্ষায় কাজে লাগবে না। আমি অন্য ব্যবস্থা করে দিবনে।"

"আচ্ছা দাদাভাই", খুশিমনে বলল রূপা।

দরজার সামনে আসতেই কলিংবেল বেজে উঠলো। দরজাটা খুলতেই একরকম হামলে পড়ল প্রিয়তা। হঠাৎ প্রিয়তার দানবীয় অবয়ব সামনে আসায় ভয় পেয়ে গেল অনু, পেছন থেকে কাজের মেয়েটাও ছোটখাটো একটা চীৎকার দিয়ে উঠলো।

"এই তোর মেসেজ দেওয়া? হারামী, আরেকটু হলে তো ক্লাস মিস করতাম।"

প্রিয়তা কে আজ দারুণ লাগছে। ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি লম্বা এই মেয়েটাকে দেখলে যে কেউ তাকিয়ে থাকবে। সচরাচর এত লম্বা মেয়ে উপমহাদেশে দেখাই যায়না। আকারে বড়সড় হলেও নারীসুলভ শরীরটা ভরাট, শরীরের বাঁকে বাঁকে যেন নারীত্ব ঝরে পড়ছে। চওড়া কাঁধ থেকে নিচে আসা সরু কোমর, তারপর ভরাট নিতম্ব আর ভারী উরু যা প্রতিটি পদক্ষেপে দুলে ওঠে।। চেহারায় একটা আশ্চর্য মায়া আছে, শুধু দেখতেই ইচ্ছে করে। বড় বড় কাজল-কালো চোখ, পুরু ঠোঁট আর ঠোঁটের উপরে বাঁ পাশে ছোট্ট তিলটা দেখলেই মন টেনে নেয়। কোমর পর্যন্ত ঘন কালো চুল, চওড়া কোমর আর ভরাট শরীর নিয়ে যখন হেঁটে আসে, তখন আশেপাশের সব যেন ছোট হয়ে যায়।

"আরে সরি সরি। তাড়াহুরো করতে গিয়ে ভুলে গিয়েছিলাম" বলল, অনু।

"চল জলদি চল, তুলি দাঁড়িয়ে আছে। কিরে রূপা, কেমন আছিস?"

"জ্বী দিদিমনি ভালো। আপনি ভালো আছেন?" রূপা লজ্জা পেয়ে উত্তর দিল।

"হ্যাঁ ভালো। এরপর থেকে দাদা যাতে দেরি না করে দেখিস। গেলাম" বলেই হনহন করে হাঁটা দিল প্রিয়তা। অনু ও তার পিছু পিছু হাঁটা শুরু করল।

"একটু আস্তে হাঁটলেও তো পারিস।" অনুর গলায় হালকা অভিযোগ।

"হারামী একে লেট, তার উপর আবার ডায়লগ মারিস।" প্রিয়তার নির্বিকার উত্তর।

বাইরে প্রিয়তার ল্যান্ড রোভারটা দাঁড়িয়ে আছে, যেতেই ড্রাইভার দরজা খুলে দিলো।

শহরের ব্যস্ত রাস্তায় ট্রাফিক কেটে এগিয়ে চলছে গাড়ি। অনু আড়চোখে তাকিয়ে দেখছে প্রিয়তার দেহটা। টি শার্ট কোমরের কাছে খানিকটা উঠে গেছে, সোনালী চামড়া বেরিয়ে আছে সেখানে। অনু ভাবছে, ওখানে জিভ লাগালে কেমন স্বাদ লাগবে? সাদা টি শার্টের ভেতরে কালো ব্রাটা ফুটে আছে, বিশাল স্তন দুটো যেন এখনি ছিড়ে বেরিয়ে পড়বে। ক্লিভেজ গভীর গিরিখাদের মত হাতছানি দিচ্ছে। আচ্ছা, স্বপ্নে যেরকম দেখেছিল, প্রিয়তার বুক কি কাপড়ের আড়ালে ঠিক সেরকম? এসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে উত্তেজনাটা আবার ফিরে এল। আন্ডারওয়্যারের নিচে ওটা গুতিয়ে চলেছে, কোনমতে ব্যাগ দিয়ে চাপা দিল।

মিনিটে সাতেক পর তুলির বাড়ির সামনে এল গাড়ি, তুলি উঠে অনু আর প্রিয়তার মাঝে বসল।

তুলির বাবা বেশ বড় একটা বেসরকারি চাকরি করেন, অফিসের কাজে বাড়ির বাইরে থাকেন প্রায়শই। ওর বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়েছে বছর পাচেক, মা নতুন বিয়ে করে নিয়েছে, তাই বাবার সাথেই থাকে। বেশ সাধাসিধে, একেবারে লাজুক আর চুপচাপ। গোল মুখটা মায়া ভরা, গোল চশমায় একদম পুতুলের মত দেখতে। ঠোঁটগুলো লাল টকটকে, দেখলে কামড়ে ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়।আজ একটা নীল সালোয়ার কামিজ পরেছে, আর তাতেই ওর মেয়েলি বাঁকগুলো স্পস্ট ফুটে উঠেছে। উচ্চতায় ওদের তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে ছোটো, সবে ৫ ফুট। একটু গোলগাল শরীর। কোমড় একটু চওড়া, পেটের হালকা মেদ জামার উপর দিয়ে বোঝা যায়। স্তন দুটো বেশ বড়, আর ভরাট গোলগাল পাছা। তার সাথে মিলিয়ে বেশ চমৎকার উরু। অনেক ছেলেই ওর পেছনে ঘুরঘুর করে, অনেকে সুযোগ নিতে চায়, কিন্তু প্রিয়তার বাধা পেরিয়ে ফাজলামো করার সাহস বেশিরভাগের ই হয় না।

প্রিয়তা তুলিকে একরকম জাপটে ধরে বলল, "কিরে সুন্দরী, আজকে দেখি একেবারে রাজকুমারী সেজে আছিস।?" প্রিয়তার বড় বড় স্তনদুটো তুলির হাতে আর পিঠে চেপে বসেছে, বোঁটাগুলো অনুভব করতে পারছে তুলি। লজ্জায় তুলির গাল লাল হয়ে গেল।

"আরে নাহ, এমনি আজকে এই জামাটা পরতে ইচ্ছা করছিল তাই......"

"হেহেহে, আজকে তো তোর বয়ফ্রেন্ড কনফার্ম" প্রিয়তার গলায় দুস্টামির ভাব।

"তোর মত বডিগার্ড থাকলে আর বয়ফ্রেন্ড পাওয়া লাগবে না।" পাশ থেকে টিপ্পনি কেটে বলল অনু।

প্রিয়তা অভিমানের ভান করে বলল, "ঠিক আছে ওকে তোর গলায় ঝুলিয়ে দেই , তুইতো দেখতে খারাপ না, আর তুলিও তো কম সেক্সি না। তোরা আমে দুধে মিশে লদকা লদকি করবি, আর আমি আঁটি বাইরে গড়াগড়ি খাবো"।

প্রিয়তার হাতে একটা চাঁটি মারলো তুলি, "যাহ, খালি ফাজলামো করিস..."। তুলি লজ্জায় গুটিয়ে গিয়ে মাথা নিচু করল। তার গাল এখন টকটকে লাল।

গাড়ি সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় এক ফুলওয়ালা এল। প্রিয়তা একটা গোলাপ আর একটা বেলী ফুলের মালা কিনে নিল। তুলির দিকে ফিরে বেলী ফুলের মালাটা ওর রেশমী চুলে পরিয়ে দিল। আর গোলাপটা হাতে দিয়ে বলল, "কাউকে না পেলেও আমাকে তো পেয়েছিস......"

মুখ দিয়ে কোনো কথা বেরোচ্ছিল না তুলির। প্রিয়তা হো হো করে হেসে উঠে আবার তাকে জাপটে ধরল। আর অনু, হ্যাবলার মত হা করে ওদের কান্ডকারখানা দেখছে।

ইউনিভার্সিটির গেটে গাড়ি থামলে একে একে নামলো ওরা গাড়ি থেকে। তুলি নামার সময় টাস করে ওর পাছায় একটা চাপড় মারলো প্রিয়তা, "চিন্তা করিস না, এইরকম জিনিস খুব রেয়ার, হেব্বি ডিমান্ড আছে"।

"দয়া করে মুখের ভাষাটা একটু ঠিক কর ভাই, দোহাই লাগে। বলতে বলতে কাহিল হয়ে যাচ্ছি।", অনুর অসহায় অনুরোধ।

"ধুর বাল, তোর এই একই বালের প্যাঁচাল। বাদ দে তো, চল ভেতরে চল।"

প্রিয়তা হনহন করে হাঁটতে শুরু করল। তুলি লজ্জায় মাথা নিচু করে তাদের পিছু নিল। কয়েক পা এগিয়ে গিয়ে সে বলল, “তোমরা যাও... আমি ওয়াশরুম থেকে আসছি।”

চলবে.........

বিঃ দ্রঃ আগের পর্বে অনুর উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি থেকে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি করা হয়েছে।

reddit.com
u/ShockMany977 — 20 days ago

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

চটপট শাওয়ার নিয়ে বের হতেই মায়ের গলা শুনতে পেল। খাবার খেতে ডাকছে। ঘরে গিয়ে কাপড় পরে নিল অনু, চুল আঁচড়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ডাইনিং রুমে গেল। ওর বাবা, রণজীত রয়, আগেই বসে আছে, পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছেন। রান্নাঘর থেকে কাজের মেয়েটা খাবার নিয়ে আসছে, পেছন পেছন ওর মা, বড় একটা কাঁসার পাত্র নিয়ে আসছেন।

"তোর জন্য কাঁচা আটার রুটি আর দেশি মুরগীর ঝোল করেছি। জলদি খেয়ে নে। এই ছন্দা, কাকাকে খাবার বেড়ে দে।"

কাজের মেয়ে রণজীত বাবুর পাতে তরকারী বেড়ে দিচ্ছে, আর অনুর মা, মমতা দেবী, নাম যেমন, ঠিক তেমন যত্নে ছেলেকে খাইয়ে দিতে লাগলেন।

"ছেলে বেশ বড় হয়েছে, এখনও খাইয়ে দিতে হবে?" ভরাট গলায় জিজ্ঞেস করলেন অনুর বাবা।

"একটাই ছেলে আমার, খাইয়ে দিলে ক্ষতি তো দেখছিনা, তাছাড়া তুমি সারাদিন অফিসে পড়ে থাকো, তা ওটা নিয়েই পড়ে থাকোনা, আমার ছেলের পিছনে লাগলে কেন?" অনুর মা কপাল কুঁচকে উত্তর দিলেন।

"আহা এখানে রাগের কি বললাম। যাইহোক, তোমার লেখাপড়ার কি খবর অনু?"

"ভালোই চলছে, এই সেমিস্টারে টপ করতে পারব কিনা জানিনা, তবে সমস্যা হবে না বোধহয়।"

"বেশ, I trust you. You are a smart boy, you can do it. By the way, you should eat more. You still look like a kid. Maybe start working out?"

"ওকে বাবা, আই উইল কীপ ইট ইন মাইন্ড।"

খাবার টেবিলে আর বেশি কথা হল না, কিছুটা খেয়ে উঠে দাঁড়ালো অনু, মা বাবাকে বিদায় জানিয়ে দরজার দিকে এগুলো, কাজের মেয়েটা ওর পিছু পিছু ব্যাগ নিয়ে আসছে।

"শোন, আমার কাপড়গুলো লন্ড্রিতে দিস, আর মাকে বলিস একটা ভাল বেডশীট দিতে", বলল অনু।

"ঠিক আছে দাদাভাই। আর কিছু করতে হবে?"

"বাথরুমের আয়নাটা ভাল করে সাফ করিস তো, আগের বার সাফ করা হয়নি"

"আচ্ছা।" বলেই কেমন যেন উশখুশ করতে লাগলো রূপা। "দাদাভাই, একটা কথা বলি?"

একটু আশ্চর্য হল অনু, সচরাচর মেয়েটা নিজ থেকে কিছু বলে না। "বল, কোন সমস্যা?"

"দাদাভাই, আমার ভাইটা ভর্তি পরীক্ষা দিবে, আপনের পুরান বইগুলা যদি একটু দিতেন, তাইলে ওইগুলা পড়তে পারতো।"

"ঠিকাছে, কিন্তু আমার বই তো ভর্তি পরীক্ষায় কাজে লাগবে না। আমি অন্য ব্যবস্থা করে দিবনে।"

"আচ্ছা দাদাভাই", খুশিমনে বলল রূপা।

দরজার সামনে আসতেই কলিংবেল বেজে উঠলো। দরজাটা খুলতেই একরকম হামলে পড়ল প্রিয়তা। হঠাৎ প্রিয়তার দানবীয় অবয়ব সামনে আসায় ভয় পেয়ে গেল অনু, পেছন থেকে কাজের মেয়েটাও ছোটখাটো একটা চীৎকার দিয়ে উঠলো।

"এই তোর মেসেজ দেওয়া? হারামী, আরেকটু হলে তো ক্লাস মিস করতাম।"

প্রিয়তা কে আজ দারুণ লাগছে। ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি লম্বা এই মেয়েটাকে দেখলে যে কেউ তাকিয়ে থাকবে। সচরাচর এত লম্বা মেয়ে উপমহাদেশে দেখাই যায়না। আকারে বড়সড় হলেও নারীসুলভ শরীরটা ভরাট, শরীরের বাঁকে বাঁকে যেন নারীত্ব ঝরে পড়ছে। চওড়া কাঁধ থেকে নিচে আসা সরু কোমর, তারপর ভরাট নিতম্ব আর ভারী উরু যা প্রতিটি পদক্ষেপে দুলে ওঠে।। চেহারায় একটা আশ্চর্য মায়া আছে, শুধু দেখতেই ইচ্ছে করে। বড় বড় কাজল-কালো চোখ, পুরু ঠোঁট আর ঠোঁটের উপরে বাঁ পাশে ছোট্ট তিলটা দেখলেই মন টেনে নেয়। কোমর পর্যন্ত ঘন কালো চুল, চওড়া কোমর আর ভরাট শরীর নিয়ে যখন হেঁটে আসে, তখন আশেপাশের সব যেন ছোট হয়ে যায়।

"আরে সরি সরি। তাড়াহুরো করতে গিয়ে ভুলে গিয়েছিলাম" বলল, অনু।

"চল জলদি চল, তুলি দাঁড়িয়ে আছে। কিরে রূপা, কেমন আছিস?"

"জ্বী দিদিমনি ভালো। আপনি ভালো আছেন?" রূপা লজ্জা পেয়ে উত্তর দিল।

"হ্যাঁ ভালো। এরপর থেকে দাদা যাতে দেরি না করে দেখিস। গেলাম" বলেই হনহন করে হাঁটা দিল প্রিয়তা। অনু ও তার পিছু পিছু হাঁটা শুরু করল।

"একটু আস্তে হাঁটলেও তো পারিস।" অনুর গলায় হালকা অভিযোগ।

"হারামী একে লেট, তার উপর আবার ডায়লগ মারিস।" প্রিয়তার নির্বিকার উত্তর।

বাইরে প্রিয়তার ল্যান্ড রোভারটা দাঁড়িয়ে আছে, যেতেই ড্রাইভার দরজা খুলে দিলো।

শহরের ব্যস্ত রাস্তায় ট্রাফিক কেটে এগিয়ে চলছে গাড়ি। অনু আড়চোখে তাকিয়ে দেখছে প্রিয়তার দেহটা। টি শার্ট কোমরের কাছে খানিকটা উঠে গেছে, সোনালী চামড়া বেরিয়ে আছে সেখানে। অনু ভাবছে, ওখানে জিভ লাগালে কেমন স্বাদ লাগবে? সাদা টি শার্টের ভেতরে কালো ব্রাটা ফুটে আছে, বিশাল স্তন দুটো যেন এখনি ছিড়ে বেরিয়ে পড়বে। ক্লিভেজ গভীর গিরিখাদের মত হাতছানি দিচ্ছে। আচ্ছা, স্বপ্নে যেরকম দেখেছিল, প্রিয়তার বুক কি কাপড়ের আড়ালে ঠিক সেরকম? এসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে উত্তেজনাটা আবার ফিরে এল। আন্ডারওয়্যারের নিচে ওটা গুতিয়ে চলেছে, কোনমতে ব্যাগ দিয়ে চাপা দিল।

মিনিটে সাতেক পর তুলির বাড়ির সামনে এল গাড়ি, তুলি উঠে অনু আর প্রিয়তার মাঝে বসল।

তুলির বাবা বেশ বড় একটা বেসরকারি চাকরি করেন, অফিসের কাজে বাড়ির বাইরে থাকেন প্রায়শই। ওর বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়েছে বছর পাচেক, মা নতুন বিয়ে করে নিয়েছে, তাই বাবার সাথেই থাকে। বেশ সাধাসিধে, একেবারে লাজুক আর চুপচাপ। গোল মুখটা মায়া ভরা, গোল চশমায় একদম পুতুলের মত দেখতে। ঠোঁটগুলো লাল টকটকে, দেখলে কামড়ে ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়।আজ একটা নীল সালোয়ার কামিজ পরেছে, আর তাতেই ওর মেয়েলি বাঁকগুলো স্পস্ট ফুটে উঠেছে। উচ্চতায় ওদের তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে ছোটো, সবে ৫ ফুট। একটু গোলগাল শরীর। কোমড় একটু চওড়া, পেটের হালকা মেদ জামার উপর দিয়ে বোঝা যায়। স্তন দুটো বেশ বড়, আর ভরাট গোলগাল পাছা। তার সাথে মিলিয়ে বেশ চমৎকার উরু। অনেক ছেলেই ওর পেছনে ঘুরঘুর করে, অনেকে সুযোগ নিতে চায়, কিন্তু প্রিয়তার বাধা পেরিয়ে ফাজলামো করার সাহস বেশিরভাগের ই হয় না।

প্রিয়তা তুলিকে একরকম জাপটে ধরে বলল, "কিরে সুন্দরী, আজকে দেখি একেবারে রাজকুমারী সেজে আছিস।?" প্রিয়তার বড় বড় স্তনদুটো তুলির হাতে আর পিঠে চেপে বসেছে, বোঁটাগুলো অনুভব করতে পারছে তুলি। লজ্জায় তুলির গাল লাল হয়ে গেল।

"আরে নাহ, এমনি আজকে এই জামাটা পরতে ইচ্ছা করছিল তাই......"

"হেহেহে, আজকে তো তোর বয়ফ্রেন্ড কনফার্ম" প্রিয়তার গলায় দুস্টামির ভাব।

"তোর মত বডিগার্ড থাকলে আর বয়ফ্রেন্ড পাওয়া লাগবে না।" পাশ থেকে টিপ্পনি কেটে বলল অনু।

প্রিয়তা অভিমানের ভান করে বলল, "ঠিক আছে ওকে তোর গলায় ঝুলিয়ে দেই , তুইতো দেখতে খারাপ না, আর তুলিও তো কম সেক্সি না। তোরা আমে দুধে মিশে লদকা লদকি করবি, আর আমি আঁটি বাইরে গড়াগড়ি খাবো"।

প্রিয়তার হাতে একটা চাঁটি মারলো তুলি, "যাহ, খালি ফাজলামো করিস..."। তুলি লজ্জায় গুটিয়ে গিয়ে মাথা নিচু করল। তার গাল এখন টকটকে লাল।

গাড়ি সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় এক ফুলওয়ালা এল। প্রিয়তা একটা গোলাপ আর একটা বেলী ফুলের মালা কিনে নিল। তুলির দিকে ফিরে বেলী ফুলের মালাটা ওর রেশমী চুলে পরিয়ে দিল। আর গোলাপটা হাতে দিয়ে বলল, "কাউকে না পেলেও আমাকে তো পেয়েছিস......"

মুখ দিয়ে কোনো কথা বেরোচ্ছিল না তুলির। প্রিয়তা হো হো করে হেসে উঠে আবার তাকে জাপটে ধরল। আর অনু, হ্যাবলার মত হা করে ওদের কান্ডকারখানা দেখছে।

ইউনিভার্সিটির গেটে গাড়ি থামলে একে একে নামলো ওরা গাড়ি থেকে। তুলি নামার সময় টাস করে ওর পাছায় একটা চাপড় মারলো প্রিয়তা, "চিন্তা করিস না, এইরকম জিনিস খুব রেয়ার, হেব্বি ডিমান্ড আছে"।

"দয়া করে মুখের ভাষাটা একটু ঠিক কর ভাই, দোহাই লাগে। বলতে বলতে কাহিল হয়ে যাচ্ছি।", অনুর অসহায় অনুরোধ।

"ধুর বাল, তোর এই একই বালের প্যাঁচাল। বাদ দে তো, চল ভেতরে চল।"

প্রিয়তা হনহন করে হাঁটতে শুরু করল। তুলি লজ্জায় মাথা নিচু করে তাদের পিছু নিল। কয়েক পা এগিয়ে গিয়ে সে বলল, “তোমরা যাও... আমি ওয়াশরুম থেকে আসছি।”

চলবে.........

বিঃ দ্রঃ আগের পর্বে অনুর উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি থেকে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি করা হয়েছে।

reddit.com
u/ShockMany977 — 20 days ago

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

চটপট শাওয়ার নিয়ে বের হতেই মায়ের গলা শুনতে পেল। খাবার খেতে ডাকছে। ঘরে গিয়ে কাপড় পরে নিল অনু, চুল আঁচড়ে ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ডাইনিং রুমে গেল। ওর বাবা, রণজীত রয়, আগেই বসে আছে, পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছেন। রান্নাঘর থেকে কাজের মেয়েটা খাবার নিয়ে আসছে, পেছন পেছন ওর মা, বড় একটা কাঁসার পাত্র নিয়ে আসছেন।

"তোর জন্য কাঁচা আটার রুটি আর দেশি মুরগীর ঝোল করেছি। জলদি খেয়ে নে। এই ছন্দা, কাকাকে খাবার বেড়ে দে।"

কাজের মেয়ে রণজীত বাবুর পাতে তরকারী বেড়ে দিচ্ছে, আর অনুর মা, মমতা দেবী, নাম যেমন, ঠিক তেমন যত্নে ছেলেকে খাইয়ে দিতে লাগলেন।

"ছেলে বেশ বড় হয়েছে, এখনও খাইয়ে দিতে হবে?" ভরাট গলায় জিজ্ঞেস করলেন অনুর বাবা।

"একটাই ছেলে আমার, খাইয়ে দিলে ক্ষতি তো দেখছিনা, তাছাড়া তুমি সারাদিন অফিসে পড়ে থাকো, তা ওটা নিয়েই পড়ে থাকোনা, আমার ছেলের পিছনে লাগলে কেন?" অনুর মা কপাল কুঁচকে উত্তর দিলেন।

"আহা এখানে রাগের কি বললাম। যাইহোক, তোমার লেখাপড়ার কি খবর অনু?"

"ভালোই চলছে, এই সেমিস্টারে টপ করতে পারব কিনা জানিনা, তবে সমস্যা হবে না বোধহয়।"

"বেশ, I trust you. You are a smart boy, you can do it. By the way, you should eat more. You still look like a kid. Maybe start working out?"

"ওকে বাবা, আই উইল কীপ ইট ইন মাইন্ড।"

খাবার টেবিলে আর বেশি কথা হল না, কিছুটা খেয়ে উঠে দাঁড়ালো অনু, মা বাবাকে বিদায় জানিয়ে দরজার দিকে এগুলো, কাজের মেয়েটা ওর পিছু পিছু ব্যাগ নিয়ে আসছে।

"শোন, আমার কাপড়গুলো লন্ড্রিতে দিস, আর মাকে বলিস একটা ভাল বেডশীট দিতে", বলল অনু।

"ঠিক আছে দাদাভাই। আর কিছু করতে হবে?"

"বাথরুমের আয়নাটা ভাল করে সাফ করিস তো, আগের বার সাফ করা হয়নি"

"আচ্ছা।" বলেই কেমন যেন উশখুশ করতে লাগলো রূপা। "দাদাভাই, একটা কথা বলি?"

একটু আশ্চর্য হল অনু, সচরাচর মেয়েটা নিজ থেকে কিছু বলে না। "বল, কোন সমস্যা?"

"দাদাভাই, আমার ভাইটা ভর্তি পরীক্ষা দিবে, আপনের পুরান বইগুলা যদি একটু দিতেন, তাইলে ওইগুলা পড়তে পারতো।"

"ঠিকাছে, কিন্তু আমার বই তো ভর্তি পরীক্ষায় কাজে লাগবে না। আমি অন্য ব্যবস্থা করে দিবনে।"

"আচ্ছা দাদাভাই", খুশিমনে বলল রূপা।

দরজার সামনে আসতেই কলিংবেল বেজে উঠলো। দরজাটা খুলতেই একরকম হামলে পড়ল প্রিয়তা। হঠাৎ প্রিয়তার দানবীয় অবয়ব সামনে আসায় ভয় পেয়ে গেল অনু, পেছন থেকে কাজের মেয়েটাও ছোটখাটো একটা চীৎকার দিয়ে উঠলো।

"এই তোর মেসেজ দেওয়া? হারামী, আরেকটু হলে তো ক্লাস মিস করতাম।"

প্রিয়তা কে আজ দারুণ লাগছে। ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি লম্বা এই মেয়েটাকে দেখলে যে কেউ তাকিয়ে থাকবে। সচরাচর এত লম্বা মেয়ে উপমহাদেশে দেখাই যায়না। আকারে বড়সড় হলেও নারীসুলভ শরীরটা ভরাট, শরীরের বাঁকে বাঁকে যেন নারীত্ব ঝরে পড়ছে। চওড়া কাঁধ থেকে নিচে আসা সরু কোমর, তারপর ভরাট নিতম্ব আর ভারী উরু যা প্রতিটি পদক্ষেপে দুলে ওঠে।। চেহারায় একটা আশ্চর্য মায়া আছে, শুধু দেখতেই ইচ্ছে করে। বড় বড় কাজল-কালো চোখ, পুরু ঠোঁট আর ঠোঁটের উপরে বাঁ পাশে ছোট্ট তিলটা দেখলেই মন টেনে নেয়। কোমর পর্যন্ত ঘন কালো চুল, চওড়া কোমর আর ভরাট শরীর নিয়ে যখন হেঁটে আসে, তখন আশেপাশের সব যেন ছোট হয়ে যায়।

"আরে সরি সরি। তাড়াহুরো করতে গিয়ে ভুলে গিয়েছিলাম" বলল, অনু।

"চল জলদি চল, তুলি দাঁড়িয়ে আছে। কিরে রূপা, কেমন আছিস?"

"জ্বী দিদিমনি ভালো। আপনি ভালো আছেন?" রূপা লজ্জা পেয়ে উত্তর দিল।

"হ্যাঁ ভালো। এরপর থেকে দাদা যাতে দেরি না করে দেখিস। গেলাম" বলেই হনহন করে হাঁটা দিল প্রিয়তা। অনু ও তার পিছু পিছু হাঁটা শুরু করল।

"একটু আস্তে হাঁটলেও তো পারিস।" অনুর গলায় হালকা অভিযোগ।

"হারামী একে লেট, তার উপর আবার ডায়লগ মারিস।" প্রিয়তার নির্বিকার উত্তর।

বাইরে প্রিয়তার ল্যান্ড রোভারটা দাঁড়িয়ে আছে, যেতেই ড্রাইভার দরজা খুলে দিলো।

শহরের ব্যস্ত রাস্তায় ট্রাফিক কেটে এগিয়ে চলছে গাড়ি। অনু আড়চোখে তাকিয়ে দেখছে প্রিয়তার দেহটা। টি শার্ট কোমরের কাছে খানিকটা উঠে গেছে, সোনালী চামড়া বেরিয়ে আছে সেখানে। অনু ভাবছে, ওখানে জিভ লাগালে কেমন স্বাদ লাগবে? সাদা টি শার্টের ভেতরে কালো ব্রাটা ফুটে আছে, বিশাল স্তন দুটো যেন এখনি ছিড়ে বেরিয়ে পড়বে। ক্লিভেজ গভীর গিরিখাদের মত হাতছানি দিচ্ছে। আচ্ছা, স্বপ্নে যেরকম দেখেছিল, প্রিয়তার বুক কি কাপড়ের আড়ালে ঠিক সেরকম? এসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে উত্তেজনাটা আবার ফিরে এল। আন্ডারওয়্যারের নিচে ওটা গুতিয়ে চলেছে, কোনমতে ব্যাগ দিয়ে চাপা দিল।

মিনিটে সাতেক পর তুলির বাড়ির সামনে এল গাড়ি, তুলি উঠে অনু আর প্রিয়তার মাঝে বসল।

তুলির বাবা বেশ বড় একটা বেসরকারি চাকরি করেন, অফিসের কাজে বাড়ির বাইরে থাকেন প্রায়শই। ওর বাবা মায়ের ডিভোর্স হয়েছে বছর পাচেক, মা নতুন বিয়ে করে নিয়েছে, তাই বাবার সাথেই থাকে। বেশ সাধাসিধে, একেবারে লাজুক আর চুপচাপ। গোল মুখটা মায়া ভরা, গোল চশমায় একদম পুতুলের মত দেখতে। ঠোঁটগুলো লাল টকটকে, দেখলে কামড়ে ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে হয়।আজ একটা নীল সালোয়ার কামিজ পরেছে, আর তাতেই ওর মেয়েলি বাঁকগুলো স্পস্ট ফুটে উঠেছে। উচ্চতায় ওদের তিনজনের মধ্যে সবচেয়ে ছোটো, সবে ৫ ফুট। একটু গোলগাল শরীর। কোমড় একটু চওড়া, পেটের হালকা মেদ জামার উপর দিয়ে বোঝা যায়। স্তন দুটো বেশ বড়, আর ভরাট গোলগাল পাছা। তার সাথে মিলিয়ে বেশ চমৎকার উরু। অনেক ছেলেই ওর পেছনে ঘুরঘুর করে, অনেকে সুযোগ নিতে চায়, কিন্তু প্রিয়তার বাধা পেরিয়ে ফাজলামো করার সাহস বেশিরভাগের ই হয় না।

প্রিয়তা তুলিকে একরকম জাপটে ধরে বলল, "কিরে সুন্দরী, আজকে দেখি একেবারে রাজকুমারী সেজে আছিস।?" প্রিয়তার বড় বড় স্তনদুটো তুলির হাতে আর পিঠে চেপে বসেছে, বোঁটাগুলো অনুভব করতে পারছে তুলি। লজ্জায় তুলির গাল লাল হয়ে গেল।

"আরে নাহ, এমনি আজকে এই জামাটা পরতে ইচ্ছা করছিল তাই......"

"হেহেহে, আজকে তো তোর বয়ফ্রেন্ড কনফার্ম" প্রিয়তার গলায় দুস্টামির ভাব।

"তোর মত বডিগার্ড থাকলে আর বয়ফ্রেন্ড পাওয়া লাগবে না।" পাশ থেকে টিপ্পনি কেটে বলল অনু।

প্রিয়তা অভিমানের ভান করে বলল, "ঠিক আছে ওকে তোর গলায় ঝুলিয়ে দেই , তুইতো দেখতে খারাপ না, আর তুলিও তো কম সেক্সি না। তোরা আমে দুধে মিশে লদকা লদকি করবি, আর আমি আঁটি বাইরে গড়াগড়ি খাবো"।

প্রিয়তার হাতে একটা চাঁটি মারলো তুলি, "যাহ, খালি ফাজলামো করিস..."। তুলি লজ্জায় গুটিয়ে গিয়ে মাথা নিচু করল। তার গাল এখন টকটকে লাল।

গাড়ি সিগন্যালে দাঁড়িয়ে আছে, এমন সময় এক ফুলওয়ালা এল। প্রিয়তা একটা গোলাপ আর একটা বেলী ফুলের মালা কিনে নিল। তুলির দিকে ফিরে বেলী ফুলের মালাটা ওর রেশমী চুলে পরিয়ে দিল। আর গোলাপটা হাতে দিয়ে বলল, "কাউকে না পেলেও আমাকে তো পেয়েছিস......"

মুখ দিয়ে কোনো কথা বেরোচ্ছিল না তুলির। প্রিয়তা হো হো করে হেসে উঠে আবার তাকে জাপটে ধরল। আর অনু, হ্যাবলার মত হা করে ওদের কান্ডকারখানা দেখছে।

ইউনিভার্সিটির গেটে গাড়ি থামলে একে একে নামলো ওরা গাড়ি থেকে। তুলি নামার সময় টাস করে ওর পাছায় একটা চাপড় মারলো প্রিয়তা, "চিন্তা করিস না, এইরকম জিনিস খুব রেয়ার, হেব্বি ডিমান্ড আছে"।

"দয়া করে মুখের ভাষাটা একটু ঠিক কর ভাই, দোহাই লাগে। বলতে বলতে কাহিল হয়ে যাচ্ছি।", অনুর অসহায় অনুরোধ।

"ধুর বাল, তোর এই একই বালের প্যাঁচাল। বাদ দে তো, চল ভেতরে চল।"

প্রিয়তা হনহন করে হাঁটতে শুরু করল। তুলি লজ্জায় মাথা নিচু করে তাদের পিছু নিল। কয়েক পা এগিয়ে গিয়ে সে বলল, “তোমরা যাও... আমি ওয়াশরুম থেকে আসছি।”

চলবে.........

বিঃ দ্রঃ আগের পর্বে অনুর উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি থেকে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি করা হয়েছে।

reddit.com
u/ShockMany977 — 20 days ago

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

পর্দার ফাঁক গলে আসা ভোরের আলোতে চোখ খুললো অনুপম। বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করছে না, তাই উঠতে গিয়েও বালিশটা নিয়ে আধশোয়া হয়ে রইল। শর্টস এর দিকে চোখ দিতেই ভেজা জায়গাটা দেখল, বেশ খানিকটা জায়গা নিয়ে ভিজেছে, বেডশীটেও একটা গোল ভেজা ছাপ। খানিকটা বিরক্তি নিয়েই একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো, ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে স্বপ্নের কথাটা ভাবতে লাগলো। স্বপ্ন দেখেছে প্রিয়তা কে নিয়ে। প্রিয়তা ওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করছে, জিহবাটা পুরো অনুপমের মুখে ঢুকিয়ে দিয়েছে। প্রিয়তার বিশাল স্তনদুটো ওর লোমহীন বুকে সেঁটে রয়েছে। অনুভুতিগুলো যেন এখনও গায়ে লেগে আছে। অবশ্য এর আগেও ওকে নিয়ে এরকম স্বপ্ন দেখেছে, কিন্তু ওটা শুধু চুমুতেই ছিল। এবারের টা একটু অন্যরকম। স্বপ্নের শেষ অংশটা মাথায় ঘুরছে। প্রিয়তার নরম ঠোঁট, তার জিভ, বিশাল স্তন, সব ঠিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ পিছন থেকে একটা মোটা, লোমশ হাত তার পাছার দুই দাবনা চেপে ধরল। শক্ত করে। আঙুলগুলো চামড়া ফাটিয়ে দিতে চাইছিল। তারপর একটা গরম, ভারী মুখ তার পুরো লিঙ্গটা একবারে গিলে নিল। গলা পর্যন্ত। চোষার শব্দ, জিভের চাপ, দাঁতের হালকা ঘষা, সব মিলে ঘুম ভেঙে গেল।

শর্টস এর ভেতর থেকে পুরুষাঙ্গ ঠেলে তাঁবু বানিয়ে রেখেছে। তার উপর দিয়েই হালকা করে হাত বুলিয়ে দিল, উত্তেজনাটা আরো বেড়ে গেল। মনের অজান্তেই হাত শর্টসের ভেতর ঢুকে যাচ্ছিল, এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল। চট করে হাতটা বের করে পাতলা কম্বলটা গায়ের উপর টেনে দিল সে।

"অনু, উঠেছিস?" অনুপমের মা ডাকলেন।

"হ্যাঁ মা।"

"পুজো শেষ করে টেবিলে খাবার দিচ্ছি, ফ্রেশ হয়ে আয়।" 

"আসছি, তুমি যাও"

মা চলে গেলে অনু উঠে বসল। ফোনটা হাতে নিতেই দেখল কয়েকটা প্রিয়তার মেসেজ। "উঠেছিস?", "ওঠ হারামী", "ঘরে এসে উঠিয়ে দিয়ে যাব নাকি", "নবাবজাদা, দয়া করে উঠুন" । অনু ফিরতি মেসেজ দিল। 

"উঠেছি,  আসতে হবে না -_-"

প্রিয়তা বলতে গেলে অনুর বেস্টফ্রেন্ড। হাইস্কুল থেকেই অনুর পেছনে লটকে রয়েছে। ওর গুন্ডামো স্বভাবটা অনুর খুব একটা পছন্দ নয়, তবে অনুর থেকে আকারে খানিকটা বড়সড় হওয়ায় মানিয়ে নেয়। অবশ্য অনুর সাথে বেশ নরমই বলতে হবে। ছেলেমেয়ে নির্বিযেশে সকলকে প্যাদানোর রেকর্ড করে ফেলেছে হাইস্কুল এ, অবশ্য তার কারণও বলতে গেলে অনুই। কিভাবে ওদের বন্ধুত্বের শুরু, কিছূটা মনে আছে অনুর, কিন্তু সেই হাইস্কুল থেকে শুরু হওয়া বন্ধুত্বে ভাঁটা পড়েনি একটুও।

সবে এইটে উঠেছে নতুন এসেছে স্কুলে তখন, ব্রেক টাইমে তিন সিনিয়র অনুকে চেপে ধরেছিল "টিফিন" কিনে দিতে। ভয়ে ভয়ে অনু মানিব্যাগটা বের করছিল, এমন সময় প্রিয়তা বিশাল এক লাঠি নিয়ে হাজির। "এই চুদির ভাই, ছাড় ওকে!" রীতিমত হুমকি দিয়েছিল। "কেন, তোর নাগর লাগে নাকি?" একজন বলে উঠতেই সপাং করে হাতের লাঠি চালিয়ে দিয়েছিল প্রিয়তা। 

"বাবার ক্ষমতার গরম দেখাচ্ছিস?" ভয়ে ভয়ে বলেছিল সেই ছেলেটি।

"ধুর বাল, তোদের সাইজ করতে বাপকে লাগবে কেন? যাহ সর এখান থেকে, লোকে আমার হাতে ক্যালানি খেতে দেখলে মান-ইজ্জত খোয়াবি।"

তার পরেই কিভাবে কিভাবে যেন বন্ধুত্ব। খানদানি পরিবারের মেয়ে প্রিয়তা, বাবা বিশাল ব্যবসায়ী, এলাকায় মারাত্বক দাপট। দুই ভাইয়ের একজন বাবার ব্যবসায় দেখাশোনা শুরু করেছে, আরেকজন দেশের বাইরে পড়াশোনায়। একমাত্র মেয়ে হওয়ায় সবার আদর পেয়ে একটু বিগড়ে গেছে আরকি।

এসব সাতপাঁচ ভাবতেই আবার ফোনটা বেজে উঠলো। প্রিয়তার মেসেজ।

"রেডি হয়ে মেসেজ দিস, বেশি সময় নেই। তুই মেসেজ দিলে আমি বের হব"

"ওকে"

তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে ঢুকলো অনু। অ্য্যপার্টমেন্টে অনুর ঘরগুলো ওর পছন্দমত ডিজাইন করিয়েছে ওর বাবা, বাথরুমটাও বাদ যায়নি। একপাশে একটা বিশাল বড় আয়না, ইম্পোর্টেড ইতালিয়ান লাক্সারি বাথটাব, দারুন একটা শাওয়ার। 

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কাপড় ছেড়ে নিল, নিজের শরীরের দিকে তাকাল। ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা, ফর্সা শরীর, একেবারে মোমে গড়া দুধে আলতা বরণ যাকে বলে। যদিও শুকনো নয়, কিন্তু ফর্সা হওয়ায় চিকন মনে হয়। লোমহীন শরীর, হঠাৎ করে কেউ দেখলে ভাববে হয়তো সবে কৈশোরে পা দিয়েছে। সরু কোমড়, বুক সামান্য উঁচু আর নরম, নিপল দুটো ছোট্ট গোলাপি, একটু ফোলা। পা গুলো সরু হলেও উরুদুটো ভারি, পাছাটা গোল আর ভরাট।  সৃষ্টিকর্তা যেন কোন রূপসী মেয়ের শরীরকে ছেলে বানিয়ে দিয়েছেন। লিঙ্গের গোড়ায় হালকা চর্বি,  চুলগুলো সুন্দর করে ট্রিম করা। হালকা একটা সোনালি আভা আছে লিঙ্গের চামড়ায়, নিচে অন্ডথলিটা একটু ছোট, বাদামি রঙ এর। ফোরস্কিনটা নুয়ে যাওয়া লিঙ্গের সামনে কুঁচকে আছে, উত্তেজনাটা না থাকলেও বের হওয়া রসে ভিজে রয়েছে। বেশি বড় নয়, কড়ে আঙ্গুলের সমান হবে, আর বুড়ো আঙ্গুলের মত মোটা। 

স্বপ্নের চুষে দেওয়ার কথাটা মনে পড়তেই একটু কেঁপে উঠলো। পুরুষাঙ্গ টা যেন জীবন ফিরে পেয়েছে। নিচের দিকে সামান্য বাঁকা হয়ে শক্ত হয়ে উঠছে, প্রতিটা হৃদস্পন্দনে হালকা লাফাচ্ছে। ঠোঁটে আঙ্গুল বুলিয়ে দিল আস্তে করে। সচরাচর ফিলিংস এ গা ভাসিয়ে দেয় না অনু, হাত মারার অভ্যেস নেই, কিন্তু আজ শরীর বাধা মানছে না। চোখ বন্ধ করে প্রিয়তার কথা ভাবার চেষ্টা করল, কিন্তু শুধু সেই জোরালো হাতে পাছা চেপে গলার ভেতর ঢুকিয়ে নেয়ার অনুভূতিটা ভেসে আসছে। পেনিসটা সাপের ফনার মত মুখিয়ে আছে, এখন প্রায় ৫ ইঞ্চি হয়ে গেছে, মোটায় ২ আংগুল সমান হবে। মাথার উপর চামড়াটা সামান্য সরে গোলাপি মুন্ডি বেরিয়ে আছে, ফুটো থেকে দরদর করে রস পড়ছে। নাহ, আর থাকা যাচ্ছে না। আঙুলে একটু থুতু নিয়ে নিপল নিয়ে খেলা করতে লাগলো, আরেক হাতে ফোরস্কিন টেনে নামিয়ে নিলো। গোলাপি মুন্ডিটা এখন পুরো বেরিয়ে আছে, রসে ভিজে চকচক করছে। আরো কয়েক ফোটা রস বেরিয়ে ফ্লোরে পড়ল। বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে ফোরস্কিন টা ধরে আগে পিছে করতে লাগলো, আরেক হাতে বুক কচলাতে লাগলো, সেই সবল হাতটার অনুকরণে পিষে ফেলতে চাইছে। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে, উত্তেজনায় টানটান হয়ে আছে ওর নরম দেহটা। রসে হাত মাখামাখি হয়ে গেছে, আর থাকতে না পেরে পুরো ধোনটা মুঠিতে নিয়ে আগা থেকে গোড়া চালাতে লাগলো। চোখে ভাসতে লাগলো সেই পুরু, পুরুষালী আবছা চেহারাটা, তার চোখের দিকে তাকিয়ে, পুরোটা মুখে পুরে চুষছে।  অজান্তেই অস্পষ্ট গোঙ্গানি বেরিয়ে এল। "আহঃ... উম......", চেষ্টা করেও আওয়াজ থামাতে পারলো না। হাঁটু থেকে যেন কেউ সব শক্তি শুষে নিয়েছে, এক হাত দিয়ে আয়নায় ভর দিয়ে কাঁপতে লাগলো অনু। মিনিট তিনেক পর হঠাৎ শরীর টান হয়ে গেল।পা দুটো অসহায়ভাবে কেঁপে উঠলো, হাঁটু যেন আর ভর দিতে পারছে না। মুঠির ভেতর ধোনটা প্রতি স্পন্দনে ফুলে উঠছে, রসে একদম ভিজে একাকার। "আহহহ্... ফাক..." অজান্তেই মুখ থেকে বেরিয়ে গেল জোরালো গোঙানি। পায়ের আঙ্গুলে ভর করে দাঁড়িয়ে শরীর ধনুকের মত বেঁকে গেছে, চরম উত্তেজনায় আর ধরে রাখতে পারলো না অনু। অনেকদিনের জমে থাকা বীর্য বাঁধ ভেঙ্গে ছিটকে বেরিয়ে এল। প্রথম ঝটকায় একগাদা ঘন আঠালো বীর্য ছিটকে পড়ল দামী আয়নাটায়, পরের ঝটকায় আরো বেশ খানিকটা। দেহের সব কামনা নিংড়ে বেরিয়ে আসছে, প্রতিটা কাঁপুনিতে ছলকে পড়ছে সাদা তরল। এখন আর অতটা ঘন নেই, পাতলা হয়ে এসেছে, কিন্তু থামার নাম নেই। টাইলস করা মেঝেতে অনেকটা জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে গেছে। আরো চার পাঁচটে ঝাকুনি দিয়ে গুঙ্গিয়ে উঠলো অনু, আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলোনা, সেখানেই বসে পড়ল। বড় বড় করে নিঃশ্বাস নিচ্ছে, চোখে অন্ধকার দেখছে। আয়নায় গাঢ় বীর্য গড়িয়ে পড়ছে, মেঝেতে পড়ে থাকা তরলে উরু, পাছা মাখামাখি হয়ে একাকার। পুরো রুম জুড়ে একটা আঁশটে, নোনতা মিস্টি গন্ধ ছড়িয়ে আছে। অনুর বীর্যের গন্ধ। গন্ধটা অনুকে একটা নেশার ভাব দিচ্ছে।

মিনিটখানেক পর হুঁশ ফিরল অনুর, কিছুক্ষন আগের ঠাঁটিয়ে থাকা পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে এসে গুটিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখন অল্প অল্প করে রস উগলিয়ে যাচ্ছে। পাতলা পিচ্ছিল রস, উরুর ভাঁজ দিয়ে গড়িয়ে পাছার ফুটোয় গিয়ে লাগছে। অনু উঠে পেপার টাওয়েল নিয়ে শরীর মুছে নিল, আরো কয়েকটা নিয়ে আয়না আর ফ্লোর মুছল। আয়নাটা পুরো পরিস্কার হল না, এখানে ওখানে ছোপ ছোপ হয়ে ঘোলাটে হয়ে রইল। দুবার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিল অনু, এখন এসব করার সময় নেই। কোন রকম সাফ করে, শাওয়ার নিতে গেল। ঠান্ডা পানি শরীরে পরতেই ক্লান্তি দূর হয়ে গেল। অনু চোখ বন্ধ করে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ।উরু আর পাছার খাঁজে লেগে থাকা কামরস রগড়ে পরিস্কার করে নিল। মাথাটা একদম হালকা হয়ে আছে, মন একদম শান্ত.........

গল্পের প্রথম পর্ব এটি। নতুন লেখার হাত, দয়া করে রিভিউ দিলে পরবর্তিতে আরো ভালো করতে পারব। চটি ভাষা এড়ানোর চেষ্টা করেছি যতটুকু সম্ভব। এছাড়াও ব্লগারে একটা সাইট খুলেছি, চাইলে দেখতে পারো। If possible, let your friends know *wink*

reddit.com
u/ShockMany977 — 26 days ago

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

পর্দার ফাঁক গলে আসা ভোরের আলোতে চোখ খুললো অনুপম। বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করছে না, তাই উঠতে গিয়েও বালিশটা নিয়ে আধশোয়া হয়ে রইল। শর্টস এর দিকে চোখ দিতেই ভেজা জায়গাটা দেখল, বেশ খানিকটা জায়গা নিয়ে ভিজেছে, বেডশীটেও একটা গোল ভেজা ছাপ। খানিকটা বিরক্তি নিয়েই একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো, ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে স্বপ্নের কথাটা ভাবতে লাগলো। স্বপ্ন দেখেছে প্রিয়তা কে নিয়ে। প্রিয়তা ওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করছে, জিহবাটা পুরো অনুপমের মুখে ঢুকিয়ে দিয়েছে। প্রিয়তার বিশাল স্তনদুটো ওর লোমহীন বুকে সেঁটে রয়েছে। অনুভুতিগুলো যেন এখনও গায়ে লেগে আছে। অবশ্য এর আগেও ওকে নিয়ে এরকম স্বপ্ন দেখেছে, কিন্তু ওটা শুধু চুমুতেই ছিল। এবারের টা একটু অন্যরকম। স্বপ্নের শেষ অংশটা মাথায় ঘুরছে। প্রিয়তার নরম ঠোঁট, তার জিভ, বিশাল স্তন, সব ঠিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ পিছন থেকে একটা মোটা, লোমশ হাত তার পাছার দুই দাবনা চেপে ধরল। শক্ত করে। আঙুলগুলো চামড়া ফাটিয়ে দিতে চাইছিল। তারপর একটা গরম, ভারী মুখ তার পুরো লিঙ্গটা একবারে গিলে নিল। গলা পর্যন্ত। চোষার শব্দ, জিভের চাপ, দাঁতের হালকা ঘষা, সব মিলে ঘুম ভেঙে গেল।

শর্টস এর ভেতর থেকে পুরুষাঙ্গ ঠেলে তাঁবু বানিয়ে রেখেছে। তার উপর দিয়েই হালকা করে হাত বুলিয়ে দিল, উত্তেজনাটা আরো বেড়ে গেল। মনের অজান্তেই হাত শর্টসের ভেতর ঢুকে যাচ্ছিল, এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল। চট করে হাতটা বের করে পাতলা কম্বলটা গায়ের উপর টেনে দিল সে।

"অনু, উঠেছিস?" অনুপমের মা ডাকলেন।

"হ্যাঁ মা।"

"পুজো শেষ করে টেবিলে খাবার দিচ্ছি, ফ্রেশ হয়ে আয়।" 

"আসছি, তুমি যাও"

মা চলে গেলে অনু উঠে বসল। ফোনটা হাতে নিতেই দেখল কয়েকটা প্রিয়তার মেসেজ। "উঠেছিস?", "ওঠ হারামী", "ঘরে এসে উঠিয়ে দিয়ে যাব নাকি", "নবাবজাদা, দয়া করে উঠুন" । অনু ফিরতি মেসেজ দিল। 

"উঠেছি,  আসতে হবে না -_-"

প্রিয়তা বলতে গেলে অনুর বেস্টফ্রেন্ড। হাইস্কুল থেকেই অনুর পেছনে লটকে রয়েছে। ওর গুন্ডামো স্বভাবটা অনুর খুব একটা পছন্দ নয়, তবে অনুর থেকে আকারে খানিকটা বড়সড় হওয়ায় মানিয়ে নেয়। অবশ্য অনুর সাথে বেশ নরমই বলতে হবে। ছেলেমেয়ে নির্বিযেশে সকলকে প্যাদানোর রেকর্ড করে ফেলেছে হাইস্কুল এ, অবশ্য তার কারণও বলতে গেলে অনুই। কিভাবে ওদের বন্ধুত্বের শুরু, কিছূটা মনে আছে অনুর, কিন্তু সেই হাইস্কুল থেকে শুরু হওয়া বন্ধুত্বে ভাঁটা পড়েনি একটুও।

সবে এইটে উঠেছে নতুন এসেছে স্কুলে তখন, ব্রেক টাইমে তিন সিনিয়র অনুকে চেপে ধরেছিল "টিফিন" কিনে দিতে। ভয়ে ভয়ে অনু মানিব্যাগটা বের করছিল, এমন সময় প্রিয়তা বিশাল এক লাঠি নিয়ে হাজির। "এই চুদির ভাই, ছাড় ওকে!" রীতিমত হুমকি দিয়েছিল। "কেন, তোর নাগর লাগে নাকি?" একজন বলে উঠতেই সপাং করে হাতের লাঠি চালিয়ে দিয়েছিল প্রিয়তা। 

"বাবার ক্ষমতার গরম দেখাচ্ছিস?" ভয়ে ভয়ে বলেছিল সেই ছেলেটি।

"ধুর বাল, তোদের সাইজ করতে বাপকে লাগবে কেন? যাহ সর এখান থেকে, লোকে আমার হাতে ক্যালানি খেতে দেখলে মান-ইজ্জত খোয়াবি।"

তার পরেই কিভাবে কিভাবে যেন বন্ধুত্ব। খানদানি পরিবারের মেয়ে প্রিয়তা, বাবা বিশাল ব্যবসায়ী, এলাকায় মারাত্বক দাপট। দুই ভাইয়ের একজন বাবার ব্যবসায় দেখাশোনা শুরু করেছে, আরেকজন দেশের বাইরে পড়াশোনায়। একমাত্র মেয়ে হওয়ায় সবার আদর পেয়ে একটু বিগড়ে গেছে আরকি।

এসব সাতপাঁচ ভাবতেই আবার ফোনটা বেজে উঠলো। প্রিয়তার মেসেজ।

"রেডি হয়ে মেসেজ দিস, বেশি সময় নেই। তুই মেসেজ দিলে আমি বের হব"

"ওকে"

তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে ঢুকলো অনু। অ্য্যপার্টমেন্টে অনুর ঘরগুলো ওর পছন্দমত ডিজাইন করিয়েছে ওর বাবা, বাথরুমটাও বাদ যায়নি। একপাশে একটা বিশাল বড় আয়না, ইম্পোর্টেড ইতালিয়ান লাক্সারি বাথটাব, দারুন একটা শাওয়ার। 

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কাপড় ছেড়ে নিল, নিজের শরীরের দিকে তাকাল। ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা, ফর্সা শরীর, একেবারে মোমে গড়া দুধে আলতা বরণ যাকে বলে। যদিও শুকনো নয়, কিন্তু ফর্সা হওয়ায় চিকন মনে হয়। লোমহীন শরীর, হঠাৎ করে কেউ দেখলে ভাববে হয়তো সবে কৈশোরে পা দিয়েছে। সরু কোমড়, বুক সামান্য উঁচু আর নরম, নিপল দুটো ছোট্ট গোলাপি, একটু ফোলা। পা গুলো সরু হলেও উরুদুটো ভারি, পাছাটা গোল আর ভরাট।  সৃষ্টিকর্তা যেন কোন রূপসী মেয়ের শরীরকে ছেলে বানিয়ে দিয়েছেন। লিঙ্গের গোড়ায় হালকা চর্বি,  চুলগুলো সুন্দর করে ট্রিম করা। হালকা একটা সোনালি আভা আছে লিঙ্গের চামড়ায়, নিচে অন্ডথলিটা একটু ছোট, বাদামি রঙ এর। ফোরস্কিনটা নুয়ে যাওয়া লিঙ্গের সামনে কুঁচকে আছে, উত্তেজনাটা না থাকলেও বের হওয়া রসে ভিজে রয়েছে। বেশি বড় নয়, কড়ে আঙ্গুলের সমান হবে, আর বুড়ো আঙ্গুলের মত মোটা। 

স্বপ্নের চুষে দেওয়ার কথাটা মনে পড়তেই একটু কেঁপে উঠলো। পুরুষাঙ্গ টা যেন জীবন ফিরে পেয়েছে। নিচের দিকে সামান্য বাঁকা হয়ে শক্ত হয়ে উঠছে, প্রতিটা হৃদস্পন্দনে হালকা লাফাচ্ছে। ঠোঁটে আঙ্গুল বুলিয়ে দিল আস্তে করে। সচরাচর ফিলিংস এ গা ভাসিয়ে দেয় না অনু, হাত মারার অভ্যেস নেই, কিন্তু আজ শরীর বাধা মানছে না। চোখ বন্ধ করে প্রিয়তার কথা ভাবার চেষ্টা করল, কিন্তু শুধু সেই জোরালো হাতে পাছা চেপে গলার ভেতর ঢুকিয়ে নেয়ার অনুভূতিটা ভেসে আসছে। পেনিসটা সাপের ফনার মত মুখিয়ে আছে, এখন প্রায় ৫ ইঞ্চি হয়ে গেছে, মোটায় ২ আংগুল সমান হবে। মাথার উপর চামড়াটা সামান্য সরে গোলাপি মুন্ডি বেরিয়ে আছে, ফুটো থেকে দরদর করে রস পড়ছে। নাহ, আর থাকা যাচ্ছে না। আঙুলে একটু থুতু নিয়ে নিপল নিয়ে খেলা করতে লাগলো, আরেক হাতে ফোরস্কিন টেনে নামিয়ে নিলো। গোলাপি মুন্ডিটা এখন পুরো বেরিয়ে আছে, রসে ভিজে চকচক করছে। আরো কয়েক ফোটা রস বেরিয়ে ফ্লোরে পড়ল। বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে ফোরস্কিন টা ধরে আগে পিছে করতে লাগলো, আরেক হাতে বুক কচলাতে লাগলো, সেই সবল হাতটার অনুকরণে পিষে ফেলতে চাইছে। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে, উত্তেজনায় টানটান হয়ে আছে ওর নরম দেহটা। রসে হাত মাখামাখি হয়ে গেছে, আর থাকতে না পেরে পুরো ধোনটা মুঠিতে নিয়ে আগা থেকে গোড়া চালাতে লাগলো। চোখে ভাসতে লাগলো সেই পুরু, পুরুষালী আবছা চেহারাটা, তার চোখের দিকে তাকিয়ে, পুরোটা মুখে পুরে চুষছে।  অজান্তেই অস্পষ্ট গোঙ্গানি বেরিয়ে এল। "আহঃ... উম......", চেষ্টা করেও আওয়াজ থামাতে পারলো না। হাঁটু থেকে যেন কেউ সব শক্তি শুষে নিয়েছে, এক হাত দিয়ে আয়নায় ভর দিয়ে কাঁপতে লাগলো অনু। মিনিট তিনেক পর হঠাৎ শরীর টান হয়ে গেল।পা দুটো অসহায়ভাবে কেঁপে উঠলো, হাঁটু যেন আর ভর দিতে পারছে না। মুঠির ভেতর ধোনটা প্রতি স্পন্দনে ফুলে উঠছে, রসে একদম ভিজে একাকার। "আহহহ্... ফাক..." অজান্তেই মুখ থেকে বেরিয়ে গেল জোরালো গোঙানি। পায়ের আঙ্গুলে ভর করে দাঁড়িয়ে শরীর ধনুকের মত বেঁকে গেছে, চরম উত্তেজনায় আর ধরে রাখতে পারলো না অনু। অনেকদিনের জমে থাকা বীর্য বাঁধ ভেঙ্গে ছিটকে বেরিয়ে এল। প্রথম ঝটকায় একগাদা ঘন আঠালো বীর্য ছিটকে পড়ল দামী আয়নাটায়, পরের ঝটকায় আরো বেশ খানিকটা। দেহের সব কামনা নিংড়ে বেরিয়ে আসছে, প্রতিটা কাঁপুনিতে ছলকে পড়ছে সাদা তরল। এখন আর অতটা ঘন নেই, পাতলা হয়ে এসেছে, কিন্তু থামার নাম নেই। টাইলস করা মেঝেতে অনেকটা জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে গেছে। আরো চার পাঁচটে ঝাকুনি দিয়ে গুঙ্গিয়ে উঠলো অনু, আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলোনা, সেখানেই বসে পড়ল। বড় বড় করে নিঃশ্বাস নিচ্ছে, চোখে অন্ধকার দেখছে। আয়নায় গাঢ় বীর্য গড়িয়ে পড়ছে, মেঝেতে পড়ে থাকা তরলে উরু, পাছা মাখামাখি হয়ে একাকার। পুরো রুম জুড়ে একটা আঁশটে, নোনতা মিস্টি গন্ধ ছড়িয়ে আছে। অনুর বীর্যের গন্ধ। গন্ধটা অনুকে একটা নেশার ভাব দিচ্ছে।

মিনিটখানেক পর হুঁশ ফিরল অনুর, কিছুক্ষন আগের ঠাঁটিয়ে থাকা পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে এসে গুটিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখন অল্প অল্প করে রস উগলিয়ে যাচ্ছে। পাতলা পিচ্ছিল রস, উরুর ভাঁজ দিয়ে গড়িয়ে পাছার ফুটোয় গিয়ে লাগছে। অনু উঠে পেপার টাওয়েল নিয়ে শরীর মুছে নিল, আরো কয়েকটা নিয়ে আয়না আর ফ্লোর মুছল। আয়নাটা পুরো পরিস্কার হল না, এখানে ওখানে ছোপ ছোপ হয়ে ঘোলাটে হয়ে রইল। দুবার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিল অনু, এখন এসব করার সময় নেই। কোন রকম সাফ করে, শাওয়ার নিতে গেল। ঠান্ডা পানি শরীরে পরতেই ক্লান্তি দূর হয়ে গেল। অনু চোখ বন্ধ করে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ।উরু আর পাছার খাঁজে লেগে থাকা কামরস রগড়ে পরিস্কার করে নিল। মাথাটা একদম হালকা হয়ে আছে, মন একদম শান্ত.........

গল্পের প্রথম পর্ব এটি। নতুন লেখার হাত, দয়া করে রিভিউ দিলে পরবর্তিতে আরো ভালো করতে পারব। চটি ভাষা এড়ানোর চেষ্টা করেছি যতটুকু সম্ভব। এছাড়াও ব্লগারে একটা সাইট খুলেছি, চাইলে দেখতে পারো। If possible, let your friends know *wink*

reddit.com
u/ShockMany977 — 26 days ago

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

পর্দার ফাঁক গলে আসা ভোরের আলোতে চোখ খুললো অনুপম। বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করছে না, তাই উঠতে গিয়েও বালিশটা নিয়ে আধশোয়া হয়ে রইল। শর্টস এর দিকে চোখ দিতেই ভেজা জায়গাটা দেখল, বেশ খানিকটা জায়গা নিয়ে ভিজেছে, বেডশীটেও একটা গোল ভেজা ছাপ। খানিকটা বিরক্তি নিয়েই একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো, ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে স্বপ্নের কথাটা ভাবতে লাগলো। স্বপ্ন দেখেছে প্রিয়তা কে নিয়ে। প্রিয়তা ওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করছে, জিহবাটা পুরো অনুপমের মুখে ঢুকিয়ে দিয়েছে। প্রিয়তার বিশাল স্তনদুটো ওর লোমহীন বুকে সেঁটে রয়েছে। অনুভুতিগুলো যেন এখনও গায়ে লেগে আছে। অবশ্য এর আগেও ওকে নিয়ে এরকম স্বপ্ন দেখেছে, কিন্তু ওটা শুধু চুমুতেই ছিল। এবারের টা একটু অন্যরকম। স্বপ্নের শেষ অংশটা মাথায় ঘুরছে। প্রিয়তার নরম ঠোঁট, তার জিভ, বিশাল স্তন, সব ঠিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ পিছন থেকে একটা মোটা, লোমশ হাত তার পাছার দুই দাবনা চেপে ধরল। শক্ত করে। আঙুলগুলো চামড়া ফাটিয়ে দিতে চাইছিল। তারপর একটা গরম, ভারী মুখ তার পুরো লিঙ্গটা একবারে গিলে নিল। গলা পর্যন্ত। চোষার শব্দ, জিভের চাপ, দাঁতের হালকা ঘষা, সব মিলে ঘুম ভেঙে গেল।

শর্টস এর ভেতর থেকে পুরুষাঙ্গ ঠেলে তাঁবু বানিয়ে রেখেছে। তার উপর দিয়েই হালকা করে হাত বুলিয়ে দিল, উত্তেজনাটা আরো বেড়ে গেল। মনের অজান্তেই হাত শর্টসের ভেতর ঢুকে যাচ্ছিল, এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল। চট করে হাতটা বের করে পাতলা কম্বলটা গায়ের উপর টেনে দিল সে।

"অনু, উঠেছিস?" অনুপমের মা ডাকলেন।

"হ্যাঁ মা।"

"পুজো শেষ করে টেবিলে খাবার দিচ্ছি, ফ্রেশ হয়ে আয়।" 

"আসছি, তুমি যাও"

মা চলে গেলে অনু উঠে বসল। ফোনটা হাতে নিতেই দেখল কয়েকটা প্রিয়তার মেসেজ। "উঠেছিস?", "ওঠ হারামী", "ঘরে এসে উঠিয়ে দিয়ে যাব নাকি", "নবাবজাদা, দয়া করে উঠুন" । অনু ফিরতি মেসেজ দিল। 

"উঠেছি,  আসতে হবে না -_-"

প্রিয়তা বলতে গেলে অনুর বেস্টফ্রেন্ড। হাইস্কুল থেকেই অনুর পেছনে লটকে রয়েছে। ওর গুন্ডামো স্বভাবটা অনুর খুব একটা পছন্দ নয়, তবে অনুর থেকে আকারে খানিকটা বড়সড় হওয়ায় মানিয়ে নেয়। অবশ্য অনুর সাথে বেশ নরমই বলতে হবে। ছেলেমেয়ে নির্বিযেশে সকলকে প্যাদানোর রেকর্ড করে ফেলেছে হাইস্কুল এ, অবশ্য তার কারণও বলতে গেলে অনুই। কিভাবে ওদের বন্ধুত্বের শুরু, কিছূটা মনে আছে অনুর, কিন্তু সেই হাইস্কুল থেকে শুরু হওয়া বন্ধুত্বে ভাঁটা পড়েনি একটুও।

সবে এইটে উঠেছে নতুন এসেছে স্কুলে তখন, ব্রেক টাইমে তিন সিনিয়র অনুকে চেপে ধরেছিল "টিফিন" কিনে দিতে। ভয়ে ভয়ে অনু মানিব্যাগটা বের করছিল, এমন সময় প্রিয়তা বিশাল এক লাঠি নিয়ে হাজির। "এই চুদির ভাই, ছাড় ওকে!" রীতিমত হুমকি দিয়েছিল। "কেন, তোর নাগর লাগে নাকি?" একজন বলে উঠতেই সপাং করে হাতের লাঠি চালিয়ে দিয়েছিল প্রিয়তা। 

"বাবার ক্ষমতার গরম দেখাচ্ছিস?" ভয়ে ভয়ে বলেছিল সেই ছেলেটি।

"ধুর বাল, তোদের সাইজ করতে বাপকে লাগবে কেন? যাহ সর এখান থেকে, লোকে আমার হাতে ক্যালানি খেতে দেখলে মান-ইজ্জত খোয়াবি।"

তার পরেই কিভাবে কিভাবে যেন বন্ধুত্ব। খানদানি পরিবারের মেয়ে প্রিয়তা, বাবা বিশাল ব্যবসায়ী, এলাকায় মারাত্বক দাপট। দুই ভাইয়ের একজন বাবার ব্যবসায় দেখাশোনা শুরু করেছে, আরেকজন দেশের বাইরে পড়াশোনায়। একমাত্র মেয়ে হওয়ায় সবার আদর পেয়ে একটু বিগড়ে গেছে আরকি।

এসব সাতপাঁচ ভাবতেই আবার ফোনটা বেজে উঠলো। প্রিয়তার মেসেজ।

"রেডি হয়ে মেসেজ দিস, বেশি সময় নেই। তুই মেসেজ দিলে আমি বের হব"

"ওকে"

তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে ঢুকলো অনু। অ্য্যপার্টমেন্টে অনুর ঘরগুলো ওর পছন্দমত ডিজাইন করিয়েছে ওর বাবা, বাথরুমটাও বাদ যায়নি। একপাশে একটা বিশাল বড় আয়না, ইম্পোর্টেড ইতালিয়ান লাক্সারি বাথটাব, দারুন একটা শাওয়ার। 

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কাপড় ছেড়ে নিল, নিজের শরীরের দিকে তাকাল। ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা, ফর্সা শরীর, একেবারে মোমে গড়া দুধে আলতা বরণ যাকে বলে। যদিও শুকনো নয়, কিন্তু ফর্সা হওয়ায় চিকন মনে হয়। লোমহীন শরীর, হঠাৎ করে কেউ দেখলে ভাববে হয়তো সবে কৈশোরে পা দিয়েছে। সরু কোমড়, বুক সামান্য উঁচু আর নরম, নিপল দুটো ছোট্ট গোলাপি, একটু ফোলা। পা গুলো সরু হলেও উরুদুটো ভারি, পাছাটা গোল আর ভরাট।  সৃষ্টিকর্তা যেন কোন রূপসী মেয়ের শরীরকে ছেলে বানিয়ে দিয়েছেন। লিঙ্গের গোড়ায় হালকা চর্বি,  চুলগুলো সুন্দর করে ট্রিম করা। হালকা একটা সোনালি আভা আছে লিঙ্গের চামড়ায়, নিচে অন্ডথলিটা একটু ছোট, বাদামি রঙ এর। ফোরস্কিনটা নুয়ে যাওয়া লিঙ্গের সামনে কুঁচকে আছে, উত্তেজনাটা না থাকলেও বের হওয়া রসে ভিজে রয়েছে। বেশি বড় নয়, কড়ে আঙ্গুলের সমান হবে, আর বুড়ো আঙ্গুলের মত মোটা। 

স্বপ্নের চুষে দেওয়ার কথাটা মনে পড়তেই একটু কেঁপে উঠলো। পুরুষাঙ্গ টা যেন জীবন ফিরে পেয়েছে। নিচের দিকে সামান্য বাঁকা হয়ে শক্ত হয়ে উঠছে, প্রতিটা হৃদস্পন্দনে হালকা লাফাচ্ছে। ঠোঁটে আঙ্গুল বুলিয়ে দিল আস্তে করে। সচরাচর ফিলিংস এ গা ভাসিয়ে দেয় না অনু, হাত মারার অভ্যেস নেই, কিন্তু আজ শরীর বাধা মানছে না। চোখ বন্ধ করে প্রিয়তার কথা ভাবার চেষ্টা করল, কিন্তু শুধু সেই জোরালো হাতে পাছা চেপে গলার ভেতর ঢুকিয়ে নেয়ার অনুভূতিটা ভেসে আসছে। পেনিসটা সাপের ফনার মত মুখিয়ে আছে, এখন প্রায় ৫ ইঞ্চি হয়ে গেছে, মোটায় ২ আংগুল সমান হবে। মাথার উপর চামড়াটা সামান্য সরে গোলাপি মুন্ডি বেরিয়ে আছে, ফুটো থেকে দরদর করে রস পড়ছে। নাহ, আর থাকা যাচ্ছে না। আঙুলে একটু থুতু নিয়ে নিপল নিয়ে খেলা করতে লাগলো, আরেক হাতে ফোরস্কিন টেনে নামিয়ে নিলো। গোলাপি মুন্ডিটা এখন পুরো বেরিয়ে আছে, রসে ভিজে চকচক করছে। আরো কয়েক ফোটা রস বেরিয়ে ফ্লোরে পড়ল। বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে ফোরস্কিন টা ধরে আগে পিছে করতে লাগলো, আরেক হাতে বুক কচলাতে লাগলো, সেই সবল হাতটার অনুকরণে পিষে ফেলতে চাইছে। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে, উত্তেজনায় টানটান হয়ে আছে ওর নরম দেহটা। রসে হাত মাখামাখি হয়ে গেছে, আর থাকতে না পেরে পুরো ধোনটা মুঠিতে নিয়ে আগা থেকে গোড়া চালাতে লাগলো। চোখে ভাসতে লাগলো সেই পুরু, পুরুষালী আবছা চেহারাটা, তার চোখের দিকে তাকিয়ে, পুরোটা মুখে পুরে চুষছে।  অজান্তেই অস্পষ্ট গোঙ্গানি বেরিয়ে এল। "আহঃ... উম......", চেষ্টা করেও আওয়াজ থামাতে পারলো না। হাঁটু থেকে যেন কেউ সব শক্তি শুষে নিয়েছে, এক হাত দিয়ে আয়নায় ভর দিয়ে কাঁপতে লাগলো অনু। মিনিট তিনেক পর হঠাৎ শরীর টান হয়ে গেল।পা দুটো অসহায়ভাবে কেঁপে উঠলো, হাঁটু যেন আর ভর দিতে পারছে না। মুঠির ভেতর ধোনটা প্রতি স্পন্দনে ফুলে উঠছে, রসে একদম ভিজে একাকার। "আহহহ্... ফাক..." অজান্তেই মুখ থেকে বেরিয়ে গেল জোরালো গোঙানি। পায়ের আঙ্গুলে ভর করে দাঁড়িয়ে শরীর ধনুকের মত বেঁকে গেছে, চরম উত্তেজনায় আর ধরে রাখতে পারলো না অনু। অনেকদিনের জমে থাকা বীর্য বাঁধ ভেঙ্গে ছিটকে বেরিয়ে এল। প্রথম ঝটকায় একগাদা ঘন আঠালো বীর্য ছিটকে পড়ল দামী আয়নাটায়, পরের ঝটকায় আরো বেশ খানিকটা। দেহের সব কামনা নিংড়ে বেরিয়ে আসছে, প্রতিটা কাঁপুনিতে ছলকে পড়ছে সাদা তরল। এখন আর অতটা ঘন নেই, পাতলা হয়ে এসেছে, কিন্তু থামার নাম নেই। টাইলস করা মেঝেতে অনেকটা জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে গেছে। আরো চার পাঁচটে ঝাকুনি দিয়ে গুঙ্গিয়ে উঠলো অনু, আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলোনা, সেখানেই বসে পড়ল। বড় বড় করে নিঃশ্বাস নিচ্ছে, চোখে অন্ধকার দেখছে। আয়নায় গাঢ় বীর্য গড়িয়ে পড়ছে, মেঝেতে পড়ে থাকা তরলে উরু, পাছা মাখামাখি হয়ে একাকার। পুরো রুম জুড়ে একটা আঁশটে, নোনতা মিস্টি গন্ধ ছড়িয়ে আছে। অনুর বীর্যের গন্ধ। গন্ধটা অনুকে একটা নেশার ভাব দিচ্ছে।

মিনিটখানেক পর হুঁশ ফিরল অনুর, কিছুক্ষন আগের ঠাঁটিয়ে থাকা পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে এসে গুটিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখন অল্প অল্প করে রস উগলিয়ে যাচ্ছে। পাতলা পিচ্ছিল রস, উরুর ভাঁজ দিয়ে গড়িয়ে পাছার ফুটোয় গিয়ে লাগছে। অনু উঠে পেপার টাওয়েল নিয়ে শরীর মুছে নিল, আরো কয়েকটা নিয়ে আয়না আর ফ্লোর মুছল। আয়নাটা পুরো পরিস্কার হল না, এখানে ওখানে ছোপ ছোপ হয়ে ঘোলাটে হয়ে রইল। দুবার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিল অনু, এখন এসব করার সময় নেই। কোন রকম সাফ করে, শাওয়ার নিতে গেল। ঠান্ডা পানি শরীরে পরতেই ক্লান্তি দূর হয়ে গেল। অনু চোখ বন্ধ করে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ।উরু আর পাছার খাঁজে লেগে থাকা কামরস রগড়ে পরিস্কার করে নিল। মাথাটা একদম হালকা হয়ে আছে, মন একদম শান্ত.........

গল্পের প্রথম পর্ব এটি। নতুন লেখার হাত, দয়া করে রিভিউ দিলে পরবর্তিতে আরো ভালো করতে পারব। চটি ভাষা এড়ানোর চেষ্টা করেছি যতটুকু সম্ভব। এছাড়াও ব্লগারে একটা সাইট খুলেছি, চাইলে দেখতে পারো। If possible, let your friends know *wink*

reddit.com
u/ShockMany977 — 26 days ago

গল্পের সকল ঘটনা চরিত্র কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে কোন মিল থাকলে তা নিতান্তই কাকতালীয়।

পর্দার ফাঁক গলে আসা ভোরের আলোতে চোখ খুললো অনুপম। বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছা করছে না, তাই উঠতে গিয়েও বালিশটা নিয়ে আধশোয়া হয়ে রইল। শর্টস এর দিকে চোখ দিতেই ভেজা জায়গাটা দেখল, বেশ খানিকটা জায়গা নিয়ে ভিজেছে, বেডশীটেও একটা গোল ভেজা ছাপ। খানিকটা বিরক্তি নিয়েই একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়লো, ঘরের ছাদের দিকে তাকিয়ে স্বপ্নের কথাটা ভাবতে লাগলো। স্বপ্ন দেখেছে প্রিয়তা কে নিয়ে। প্রিয়তা ওর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে কিস করছে, জিহবাটা পুরো অনুপমের মুখে ঢুকিয়ে দিয়েছে। প্রিয়তার বিশাল স্তনদুটো ওর লোমহীন বুকে সেঁটে রয়েছে। অনুভুতিগুলো যেন এখনও গায়ে লেগে আছে। অবশ্য এর আগেও ওকে নিয়ে এরকম স্বপ্ন দেখেছে, কিন্তু ওটা শুধু চুমুতেই ছিল। এবারের টা একটু অন্যরকম। স্বপ্নের শেষ অংশটা মাথায় ঘুরছে। প্রিয়তার নরম ঠোঁট, তার জিভ, বিশাল স্তন, সব ঠিক ছিল। কিন্তু হঠাৎ পিছন থেকে একটা মোটা, লোমশ হাত তার পাছার দুই দাবনা চেপে ধরল। শক্ত করে। আঙুলগুলো চামড়া ফাটিয়ে দিতে চাইছিল। তারপর একটা গরম, ভারী মুখ তার পুরো লিঙ্গটা একবারে গিলে নিল। গলা পর্যন্ত। চোষার শব্দ, জিভের চাপ, দাঁতের হালকা ঘষা, সব মিলে ঘুম ভেঙে গেল।

শর্টস এর ভেতর থেকে পুরুষাঙ্গ ঠেলে তাঁবু বানিয়ে রেখেছে। তার উপর দিয়েই হালকা করে হাত বুলিয়ে দিল, উত্তেজনাটা আরো বেড়ে গেল। মনের অজান্তেই হাত শর্টসের ভেতর ঢুকে যাচ্ছিল, এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল। চট করে হাতটা বের করে পাতলা কম্বলটা গায়ের উপর টেনে দিল সে।

"অনু, উঠেছিস?" অনুপমের মা ডাকলেন।

"হ্যাঁ মা।"

"পুজো শেষ করে টেবিলে খাবার দিচ্ছি, ফ্রেশ হয়ে আয়।" 

"আসছি, তুমি যাও"

মা চলে গেলে অনু উঠে বসল। ফোনটা হাতে নিতেই দেখল কয়েকটা প্রিয়তার মেসেজ। "উঠেছিস?", "ওঠ হারামী", "ঘরে এসে উঠিয়ে দিয়ে যাব নাকি", "নবাবজাদা, দয়া করে উঠুন" । অনু ফিরতি মেসেজ দিল। 

"উঠেছি,  আসতে হবে না -_-"

প্রিয়তা বলতে গেলে অনুর বেস্টফ্রেন্ড। হাইস্কুল থেকেই অনুর পেছনে লটকে রয়েছে। ওর গুন্ডামো স্বভাবটা অনুর খুব একটা পছন্দ নয়, তবে অনুর থেকে আকারে খানিকটা বড়সড় হওয়ায় মানিয়ে নেয়। অবশ্য অনুর সাথে বেশ নরমই বলতে হবে। ছেলেমেয়ে নির্বিযেশে সকলকে প্যাদানোর রেকর্ড করে ফেলেছে হাইস্কুল এ, অবশ্য তার কারণও বলতে গেলে অনুই। কিভাবে ওদের বন্ধুত্বের শুরু, কিছূটা মনে আছে অনুর, কিন্তু সেই হাইস্কুল থেকে শুরু হওয়া বন্ধুত্বে ভাঁটা পড়েনি একটুও।

সবে এইটে উঠেছে নতুন এসেছে স্কুলে তখন, ব্রেক টাইমে তিন সিনিয়র অনুকে চেপে ধরেছিল "টিফিন" কিনে দিতে। ভয়ে ভয়ে অনু মানিব্যাগটা বের করছিল, এমন সময় প্রিয়তা বিশাল এক লাঠি নিয়ে হাজির। "এই চুদির ভাই, ছাড় ওকে!" রীতিমত হুমকি দিয়েছিল। "কেন, তোর নাগর লাগে নাকি?" একজন বলে উঠতেই সপাং করে হাতের লাঠি চালিয়ে দিয়েছিল প্রিয়তা। 

"বাবার ক্ষমতার গরম দেখাচ্ছিস?" ভয়ে ভয়ে বলেছিল সেই ছেলেটি।

"ধুর বাল, তোদের সাইজ করতে বাপকে লাগবে কেন? যাহ সর এখান থেকে, লোকে আমার হাতে ক্যালানি খেতে দেখলে মান-ইজ্জত খোয়াবি।"

তার পরেই কিভাবে কিভাবে যেন বন্ধুত্ব। খানদানি পরিবারের মেয়ে প্রিয়তা, বাবা বিশাল ব্যবসায়ী, এলাকায় মারাত্বক দাপট। দুই ভাইয়ের একজন বাবার ব্যবসায় দেখাশোনা শুরু করেছে, আরেকজন দেশের বাইরে পড়াশোনায়। একমাত্র মেয়ে হওয়ায় সবার আদর পেয়ে একটু বিগড়ে গেছে আরকি।

এসব সাতপাঁচ ভাবতেই আবার ফোনটা বেজে উঠলো। প্রিয়তার মেসেজ।

"রেডি হয়ে মেসেজ দিস, বেশি সময় নেই। তুই মেসেজ দিলে আমি বের হব"

"ওকে"

তোয়ালে নিয়ে বাথরুমে ঢুকলো অনু। অ্য্যপার্টমেন্টে অনুর ঘরগুলো ওর পছন্দমত ডিজাইন করিয়েছে ওর বাবা, বাথরুমটাও বাদ যায়নি। একপাশে একটা বিশাল বড় আয়না, ইম্পোর্টেড ইতালিয়ান লাক্সারি বাথটাব, দারুন একটা শাওয়ার। 

আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে কাপড় ছেড়ে নিল, নিজের শরীরের দিকে তাকাল। ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি লম্বা, ফর্সা শরীর, একেবারে মোমে গড়া দুধে আলতা বরণ যাকে বলে। যদিও শুকনো নয়, কিন্তু ফর্সা হওয়ায় চিকন মনে হয়। লোমহীন শরীর, হঠাৎ করে কেউ দেখলে ভাববে হয়তো সবে কৈশোরে পা দিয়েছে। সরু কোমড়, বুক সামান্য উঁচু আর নরম, নিপল দুটো ছোট্ট গোলাপি, একটু ফোলা। পা গুলো সরু হলেও উরুদুটো ভারি, পাছাটা গোল আর ভরাট।  সৃষ্টিকর্তা যেন কোন রূপসী মেয়ের শরীরকে ছেলে বানিয়ে দিয়েছেন। লিঙ্গের গোড়ায় হালকা চর্বি,  চুলগুলো সুন্দর করে ট্রিম করা। হালকা একটা সোনালি আভা আছে লিঙ্গের চামড়ায়, নিচে অন্ডথলিটা একটু ছোট, বাদামি রঙ এর। ফোরস্কিনটা নুয়ে যাওয়া লিঙ্গের সামনে কুঁচকে আছে, উত্তেজনাটা না থাকলেও বের হওয়া রসে ভিজে রয়েছে। বেশি বড় নয়, কড়ে আঙ্গুলের সমান হবে, আর বুড়ো আঙ্গুলের মত মোটা। 

স্বপ্নের চুষে দেওয়ার কথাটা মনে পড়তেই একটু কেঁপে উঠলো। পুরুষাঙ্গ টা যেন জীবন ফিরে পেয়েছে। নিচের দিকে সামান্য বাঁকা হয়ে শক্ত হয়ে উঠছে, প্রতিটা হৃদস্পন্দনে হালকা লাফাচ্ছে। ঠোঁটে আঙ্গুল বুলিয়ে দিল আস্তে করে। সচরাচর ফিলিংস এ গা ভাসিয়ে দেয় না অনু, হাত মারার অভ্যেস নেই, কিন্তু আজ শরীর বাধা মানছে না। চোখ বন্ধ করে প্রিয়তার কথা ভাবার চেষ্টা করল, কিন্তু শুধু সেই জোরালো হাতে পাছা চেপে গলার ভেতর ঢুকিয়ে নেয়ার অনুভূতিটা ভেসে আসছে। পেনিসটা সাপের ফনার মত মুখিয়ে আছে, এখন প্রায় ৫ ইঞ্চি হয়ে গেছে, মোটায় ২ আংগুল সমান হবে। মাথার উপর চামড়াটা সামান্য সরে গোলাপি মুন্ডি বেরিয়ে আছে, ফুটো থেকে দরদর করে রস পড়ছে। নাহ, আর থাকা যাচ্ছে না। আঙুলে একটু থুতু নিয়ে নিপল নিয়ে খেলা করতে লাগলো, আরেক হাতে ফোরস্কিন টেনে নামিয়ে নিলো। গোলাপি মুন্ডিটা এখন পুরো বেরিয়ে আছে, রসে ভিজে চকচক করছে। আরো কয়েক ফোটা রস বেরিয়ে ফ্লোরে পড়ল। বুড়ো আঙুল আর তর্জনীর মাঝে ফোরস্কিন টা ধরে আগে পিছে করতে লাগলো, আরেক হাতে বুক কচলাতে লাগলো, সেই সবল হাতটার অনুকরণে পিষে ফেলতে চাইছে। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছে, উত্তেজনায় টানটান হয়ে আছে ওর নরম দেহটা। রসে হাত মাখামাখি হয়ে গেছে, আর থাকতে না পেরে পুরো ধোনটা মুঠিতে নিয়ে আগা থেকে গোড়া চালাতে লাগলো। চোখে ভাসতে লাগলো সেই পুরু, পুরুষালী আবছা চেহারাটা, তার চোখের দিকে তাকিয়ে, পুরোটা মুখে পুরে চুষছে।  অজান্তেই অস্পষ্ট গোঙ্গানি বেরিয়ে এল। "আহঃ... উম......", চেষ্টা করেও আওয়াজ থামাতে পারলো না। হাঁটু থেকে যেন কেউ সব শক্তি শুষে নিয়েছে, এক হাত দিয়ে আয়নায় ভর দিয়ে কাঁপতে লাগলো অনু। মিনিট তিনেক পর হঠাৎ শরীর টান হয়ে গেল।পা দুটো অসহায়ভাবে কেঁপে উঠলো, হাঁটু যেন আর ভর দিতে পারছে না। মুঠির ভেতর ধোনটা প্রতি স্পন্দনে ফুলে উঠছে, রসে একদম ভিজে একাকার। "আহহহ্... ফাক..." অজান্তেই মুখ থেকে বেরিয়ে গেল জোরালো গোঙানি। পায়ের আঙ্গুলে ভর করে দাঁড়িয়ে শরীর ধনুকের মত বেঁকে গেছে, চরম উত্তেজনায় আর ধরে রাখতে পারলো না অনু। অনেকদিনের জমে থাকা বীর্য বাঁধ ভেঙ্গে ছিটকে বেরিয়ে এল। প্রথম ঝটকায় একগাদা ঘন আঠালো বীর্য ছিটকে পড়ল দামী আয়নাটায়, পরের ঝটকায় আরো বেশ খানিকটা। দেহের সব কামনা নিংড়ে বেরিয়ে আসছে, প্রতিটা কাঁপুনিতে ছলকে পড়ছে সাদা তরল। এখন আর অতটা ঘন নেই, পাতলা হয়ে এসেছে, কিন্তু থামার নাম নেই। টাইলস করা মেঝেতে অনেকটা জায়গা নিয়ে ছড়িয়ে গেছে। আরো চার পাঁচটে ঝাকুনি দিয়ে গুঙ্গিয়ে উঠলো অনু, আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলোনা, সেখানেই বসে পড়ল। বড় বড় করে নিঃশ্বাস নিচ্ছে, চোখে অন্ধকার দেখছে। আয়নায় গাঢ় বীর্য গড়িয়ে পড়ছে, মেঝেতে পড়ে থাকা তরলে উরু, পাছা মাখামাখি হয়ে একাকার। পুরো রুম জুড়ে একটা আঁশটে, নোনতা মিস্টি গন্ধ ছড়িয়ে আছে। অনুর বীর্যের গন্ধ। গন্ধটা অনুকে একটা নেশার ভাব দিচ্ছে।

মিনিটখানেক পর হুঁশ ফিরল অনুর, কিছুক্ষন আগের ঠাঁটিয়ে থাকা পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে এসে গুটিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এখন অল্প অল্প করে রস উগলিয়ে যাচ্ছে। পাতলা পিচ্ছিল রস, উরুর ভাঁজ দিয়ে গড়িয়ে পাছার ফুটোয় গিয়ে লাগছে। অনু উঠে পেপার টাওয়েল নিয়ে শরীর মুছে নিল, আরো কয়েকটা নিয়ে আয়না আর ফ্লোর মুছল। আয়নাটা পুরো পরিস্কার হল না, এখানে ওখানে ছোপ ছোপ হয়ে ঘোলাটে হয়ে রইল। দুবার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিল অনু, এখন এসব করার সময় নেই। কোন রকম সাফ করে, শাওয়ার নিতে গেল। ঠান্ডা পানি শরীরে পরতেই ক্লান্তি দূর হয়ে গেল। অনু চোখ বন্ধ করে শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে রইল কিছুক্ষণ।উরু আর পাছার খাঁজে লেগে থাকা কামরস রগড়ে পরিস্কার করে নিল। মাথাটা একদম হালকা হয়ে আছে, মন একদম শান্ত.........

গল্পের প্রথম পর্ব এটি। নতুন লেখার হাত, দয়া করে রিভিউ দিলে পরবর্তিতে আরো ভালো করতে পারব। চটি ভাষা এড়ানোর চেষ্টা করেছি যতটুকু সম্ভব। এছাড়াও ব্লগারে একটা সাইট খুলেছি, চাইলে দেখতে পারো। If possible, let your friends know *wink*

reddit.com
u/ShockMany977 — 26 days ago