u/findme1x

She warned me "আমিও তাইলে বেশ্যাদের মতো ড্রেস পরা শুরু করি"

আমাদের সম্পর্কটা অনেকদিনের, কিন্তু অনেকদিন ধরেই একটা সমস্যা চলছিল। আমি আমার রিভিলিং ড্রেস পরা মেয়ে ফ্রেন্ডদের সাথে খুব মিশতাম, তাদের সাথে স্টোরিতে ছবি দিতাম, ক্লোজ পিক তুলতাম, মজা করতাম। আমার গার্লফ্রেন্ড সব দেখে সে অনেকদিন ধরে মন খারাপ করত, কিন্তু কখনো খুব বেশি কিছু বলত না। সে ছিল খুবই ভদ্র, শান্তশিষ্ট, তার ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার ফলোয়িং মিলিয়ে মাত্র ৫০-৬০ জনের মতো, কোনোদিন কোনো খোলামেলা ছবি দিত না, সাধারণ শাড়ি বা সালোয়ার কামিজেই থাকত। হঠাৎ ২০২৫ সালের একদিন সে আমাকে বলে বসল, “তোমার যদি এসব এইসব ভালো লাগে তাহলে আমিও তাইলে বেশ্যাদের মতো ড্রেস পরা শুরু করি।” কথাটা শুনে আমি হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলাম, কিন্তু সেদিন থেকেই সব বদলে গেল। প্রথমে অনেক ঝগড়া হলো, সে তার প্রাইভেট আইডি পাবলিক করে দিল, আমাদের কথা প্রায় এক সপ্তাহ বন্ধ থাকল। তারপর সে তার বান্ধবীদের নিয়ে বাইরে বেরোতে শুরু করল। প্রথমদিন একটা নীল শাড়ি পরে সাধারণ একটা পোস্ট দিল, তাতেই অনেক রেসপন্স আসতে শুরু করল। পরের দিন লাল শাড়ি পরল অনেক খোলামেলা করে, যেভাবে সে আগে কখনো শাড়ি পরেনি। আমি ৭-৮টা ছবি দেখে অবাক হয়ে গেলাম, বিশেষ করে শেষের ৩-৪টা ছবিতে পেট, ক্লিভেজ এত স্পষ্ট যে বলার বাইরে। প্রথম ছবিটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল। কমেন্ট সেকশনে ছেলেরা লিমিট ছাড়িয়ে কথা বলতে শুরু করল, কিন্তু সে কোনো রিপ্লাই দিত না। এরপর জিন্স-টপস পরে একটা পোস্ট দিল, তারপর হঠাৎ একটা বডিকন ড্রেসের পোস্ট দিল যেটা দেখলে যেকোনো মানুষের মাথা খারাপ হয়ে যেত। তার আইডির পাসওয়ার্ড আমার কাছে ছিল, সে হয়তো ভুলে গিয়েছিল, আমি ঢুকে সব দেখলাম। যে মেয়ের পোস্টে আগে ১৫-২০টা লাইক আসত, এখন ভিউ ১৫-২০ হাজার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ইনবক্স খুলে আরও অবাক হয়ে গেলাম, শুটআউট ছাড়াই তার ছবি পোস্ট করার পর আইডিটা আরও বেশি ফেমাস হয়ে গেল। প্রথম ৩-৪ দিন সে কিছু রিপ্লাই দিলো না, কিন্তু আস্তে আস্তে রিপ্লাই দিতে শুরু করল। আমি কিছু বলছি না দেখে লুচ্চা ছেলেগুলো দু-তিন দিনের মধ্যেই উল্টাপাল্টা কথা বলা শুরু করে দিল। দুই-তিনটা বাজে ছেলে সরাসরি শরীর নিয়ে কথা বলতে শুরু করল, সে কিন্তু কোনো রেসপন্স দিত না। আমার ভালো লাগছিল না, যে শরীর আমি সারাজীবনে দেখেছি সেই শরীর এখন সবার সামনে খোলামেলা হয়ে যাচ্ছে আর আমি কিছুই করতে পারছি না।

অবশেষে আমি তাকে অ্যাপ্রোচ করলাম যে এসব থামাও। সে আমাকে বলল, “কে তুমি? তুমি তো তোমার ওই ফ্রেন্ডদের সাথে মিশো যারা এমন ড্রেস পরে।” আমি বুঝলাম সে অনেক কষ্ট পেয়েছে। তারপর সে জানাল যে একটা ছেলের সাথে ঘুরতে যাবে আর আমি কিছু বলতে পারব না। সে গেল, ছেলেটা খুব ফাউল ছিল, মেসেজে আগের ফ্রেন্ড টাইপ ছিল কিন্তু প্রথম দিনেই জোর করে হাত ধরতে চাইল, তেমন কোনো কথা না হলে সে আমাকে কল দিয়ে বলল সে কল কেটে দেয়। তারপর সে আমার বাসায় এসে আমাকে মানানোর চেষ্টা করল। সেদিন বাসায় কেউ ছিল না। সে বলল সে ভুল করেছে। আমি শুধু বললাম, “আমার ওই ফ্রেন্ডদের সাথে আমি শুধু মিশি, ভিতরে এমন কিছু নেই, তুমি তো জানো। কিন্তু এখন তোমার এসব আমি মেনে নিতে পারব না।” সে অনেক সরি বলল, বলল এখন থেকে আমার সব কথা মানবে। নিজে থেকেই আরো বলল যে সে কিছু ক্লোজ ফ্রেন্ডস স্টোরিতে আরও রিভিলিং ছবি দিয়েছে, আমি সেগুলো দেখে অবাক হয়ে গেলাম। তার একটা অদ্ভুত ব্লাউজ ছিল, দেখলে মনে হয় ব্লাউজটা দুধ দুটো ধরে রেখেছে, সেই স্টাইলের ব্লাউজ পরা কয়েকটা ছবি। যাইহোক, সে অনেক জোরাজুরি করল কিন্তু আমি মানলাম না। তারপর সে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করল যে উল্টাপাল্টা কিছু করবে। আমি আর কিছু বললাম না। সেদিন রাতে সে আমার সাথেই থাকল, বান্ধবীর সাথে থাকবে বলে কল দিয়ে বলল। সে একটা শাড়ি পরা ছিল। সেদিন রাতে আমাদের আর ঘুম হয়নি। সেদিন রাতে আমরা বেশ ওয়াইল্ড ছিলাম, তার ব্লাউজের হুক খোলার সময় টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেললাম আর তার ঠোঁট কেটে ফেললাম খাওয়ার সময়। ঠোঁট কেটে গেলে সে অনেক জ্বালা করছিল, একটু কাঁদার মতো করতে থাকল, কিন্তু তখন আমি তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম আর তার ভোদায় মুখ দিয়ে দিলাম। তার ভোদায় আর মাথায় হাত বা মুখ দিলে সে পুরোপুরি শান্ত হয়ে যায়। একবার এক ফ্রেন্ডের সাথে হেভি মেকআউট করে ধরা খাই, ওইদিন ও অনেক কান্না করে কিন্তু আমি ওকে অনেক আদর করি সেদিন, কিন্তু ওর ভোদা এতো বাজে ভাবে চুষি যে সেদিনের কথা ও জীবনেও আর ভুলে নাই৷ আর আমিও সেদিনের পর আর এসব আকাম খুব একটা করি নাই৷ ও মাঝে মাঝে মজা করে বলে "এরপর এমন করলে বইলো আবার ওইভাবে ভোদায় মুখ দিবা"। ভোর রাতে আমার একটা গেঞ্জি আর তার প্যান্টি পরে সে আমার কোলের মধ্যে ঘুমিয়ে গেল। পরের দিন ওই গেঞ্জি আর আমার একটা প্যান্ট পরেই বাসায় গেল। আমার গেঞ্জি পরে তার দুধ অনেক লাফাচ্ছিল, আমি বললাম, “দেখাইতে দেখাইতে যাবা নাকি?” সে বলল, “না, আমি আস্তে আস্তে যাব যেন দুধ না লাফায়।” তার কথা শুনে আমি হেসে দিলাম। ও আর বলল "দুধ যা করার করছো একমাস আর ধইরো না, এক রাতে অনেক ফুলে ফুলে গেছে লাগতেছে"। সেদিন সে তার আইডির সব খোলামেলা জিনিস রিমুভ করে দিল। কিন্তু আমার কাছে পাস ছিল তাই দেখতে পারলাম, ছেলেদের কত মেসেজ রিকোয়েস্ট আসছে। আমিও ভিতরে সাবধান হয়ে গেলাম যে তাকে ছেড়ে দিলে তাকে খাওয়ার মানুষের অভাব নেই।

এরপর থেকে সে আস্তে আস্তে আগের মতো হয়ে গেল, কিন্তু সেই ঘটনাগুলো আমাদের সম্পর্ককে আরও গভীর করে দিল। আমি বুঝলাম সে কতটা ভালোবাসে, আর সে বুঝল আমারও সীমা আছে। সেই ওয়ার্নিংটা আজও কানে বাজে, “আমিও তাইলে বেশ্যাদের মতো ড্রেস পরা শুরু করি।” সেই কথাটা আমাদের জীবনের একটা টার্নিং পয়েন্ট হয়ে রইল। আমি ওকে বলি তুমি তোমার ইচ্ছামতো জামা পরো এখন থেকে বাট খুব বেশি খোলামেলা না। এর পর থেকে ওর একটু ড্রেসিং সেন্স পরিবর্তন হয়, স্কার্ট পরে সবচেয়ে বেশি। কিছু কিছু দিন ও আমার বা ওর স্লাটি ফ্রেন্ডদেরকেও হার মানিয়ে দেয় ওর খোলামেলা ড্রেসের মাধ্যমে, কিন্তু কেন যেন ওর সুন্দর চেহারা থাকার জন্য সব ফোকাস সেদিকেই বেশি যায়, ব্যাপারটা আমার ভালোই লাগে!

reddit.com
u/findme1x — 3 days ago

ওর মুখ থেকে শুনে অবাক "মাপ নিতে গেলে শরীর একটু ধরবেই"

আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ড কয়েকদিন আগে টেইলরের দোকানে গিয়েছিলাম ওর ঈদের জামা বানাতে। ও সেদিন একটা টাইট একটা লাল ড্রেস পরে এসেছিল, যেটা ইচ্ছে করেই অনেক খোলামেলা কাটের- গলার কাট অনেক নিচে নামানো। ও যে নিচে সাদা ব্রা পড়ছে বুঝা যাচ্ছিলো ব্রার লাইন দেখা যাচ্ছিলো, ব্রা-এর ফিতা আর ক্লিভেজের উপরের অংশ বারবার বের হয়ে যাচ্ছিলো। দোকানে ঢুকতেই ও ধীরে ওড়নাটা খুলে পাশে রেখে দিল। ওর গরম শরীরের ভারী মিষ্টি গন্ধ ধীরে ধীরে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ল।আমি সোফায় বসে ছিলাম। লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল, “গরম খাবেন নাকি থান্ডা?” তারপর একটু থেমে চোখের কোণ দিয়ে আমার গার্লফ্রেন্ডের দিকে তাকিয়ে বলল, “গরম তো অনেক খান, একটু থান্ডা খান এখন।”

লোকটা ওর সামনে গিয়ে দাঁড়াল। প্রথমবার দুই হাত দিয়ে ওর দুধের নিচের নরম অংশ শক্ত করে চেপে ধরে মাপ নিল। তারপর মুখে বলল, “আগেরটা একটু বেশি টাইট হয়ে গেছে।” ও চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল। লোকটা আবার টেপ তুলে নিয়ে দ্বিতীয়বার একই জায়গায় হাত রাখল, এবার আরও কাছে সরে এসে। ও বুকটা সামান্য সামনে ঠেলে দিয়ে কোমর হালকা পিছনে টেনে দাঁড়াল। লোকটা তৃতীয়বার মাপ নেওয়ার সময় ও বলল, “এবার বুকের কাছে একটু টাইট করে দিতে হবে।” প্রতিবার মাপ নেওয়ার সময় লোকটা খুব কাছ থেকে ঝুঁকে পড়ছিল, ওর খোলা ক্লিভেজ আর ব্রা-এর উপরের অংশ স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিল। ওকে “গভীর শ্বাস নিন” বলতেই ও বুকটা ভরে শ্বাস টেনে নিল- দুধ দুটো উঠানামা করতে লাগল। হাতটা আন্ডারবুবসের কাছে রেখে খুব আস্তে আস্তে ঘষছিল। চতুর্থবার মাপ নেওয়ার সময় লোকটা আরও কাছে সরে এসে হাতের চাপ একটু বেশি সময় ধরে রাখল বলে মনে হলো। লোকটা তারপর ড্রেসের গলা আরও নিচে টেনে নামিয়ে দিল। সাদা ব্রা আর গভীর ক্লিভেজ প্রায় পুরোটা উন্মুক্ত হয়ে পড়ল। সে ড্রেসটা নাভির অনেক উপরে তুলে পেট আর কোমরের মাপ নিতে লাগল। ও পিছন ফিরে লোকটার দিকে শরীরটা খুব ধীরে ঠেলে দিয়ে দাঁড়াল।

হঠাৎ আমার ফোন বেজে উঠল। আমি বাইরে গিয়ে কলটা ধরলাম। ফিরে এসে দেখি লোকটা ওর পিছন থেকে একদম কাছে দাঁড়িয়ে আছে। তার শরীর ওর পাছার কাছে। দোকান থেকে বেরিয়ে ও আমার হাত ধরল। ওর শরীর তখনো ঘামে সামান্য ভিজে, সাদা ব্রা-এর ফিতা বের হয়ে আছে। ও আমার কানের খুব কাছে মুখ এনে কিছুক্ষণ চুপ করে রইল।এরপর ফিসফিস করে বলল, “এই ঈদে আমি শাড়ির জন্য একটা খুব টাইট আর খোলা ব্লাউজ বানাব। সামনের কাট এত নিচে যে বুকের অনেকটা অংশ বের হয়ে থাকবে… প্রায় সবটাই।”গরম শ্বাস ফেলে কানে বলতে লাগল, “ব্লাউজটা পরে তোমার সামনে এসে দাঁড়াব। তারপর একটা একটা করে হুক খুলে আমার দুধ দুটো বের করে তোমার মুখে তুলে দিয়ে খাওয়াব। তুমি চুষবে, আর আমি তোমার মাথা চেপে ধরে রাখব।” ওর শরীর আমার শরীরের সাথে আরও জোরে ঘষে গেল। “আর পরে… ব্লাউজটা খোলা রেখেই তোমার ধনের উপর উঠে বসব। ধীরে ধীরে নামিয়ে নিয়ে পুরোটা ভিতরে নিয়ে দুলব। বুক দুটো তোমার মুখের সামনে ঝুলিয়ে দিয়ে চুষতে দেব। সারা রাত এভাবে তোমাকে খেলাব।” "তুমি শুধু চুষবা আর চুদবা"

reddit.com
u/findme1x — 6 days ago

Unintentional Exhibition Went Hot; Shocked to hear from my shy GF "সব ছেলেরই ধন আছে"

আমি আমার গার্লফ্রেন্ডকে ইউনিভার্সিটির একটা ফাংশনে নিয়ে গিয়েছিলাম। সেদিন ও লাল শাড়ি পরে এসেছিল। শাড়িটা খুব বেশি খোলামেলা ছিল না, ছোট V-কাট ব্লাউজের কারণে মাঝে মাঝে একটু ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছিলো। ওর সাদা পেটের একটা অংশ দেখা যাচ্ছিল, ব্লাউজের পেছন্টা খোলামেলা ছিলো। ও আলাদাভাবে কোনো চেষ্টা ছাড়াই সুন্দর লাগছিলো, ওর ফর্সা গায়ের রং, সুন্দর মুখ আর টানটান ফিগারের জন্য হট আর এট্রাক্টিভ লাগছিল। ওয়াশরুম থেকে চুল ঠিক করে লিপস্টিক লাগিয়ে ফিরে আসতেই ওকে দেখে আমার নিজের ধনই শক্ত হয়ে উঠল। মনে হচ্ছিলো একটা ডল পুতুল হেটে আসতেছে, যেমন সুন্দর তেমন এট্রাকটিভ। আমার কয়েকজন ফ্রেন্ড-যারা সাধারণত মেয়েদের দিকে তাকায়ও না, পড়াশোনা নিয়ে থাকে-তারা সেদিন একদম লুচ্চা হয়ে গিয়েছিল। সবচেয়ে ভদ্র যে ছেলে, তাকে দেখলাম কম করে হলেও আট-দশ বার ওর শরীরের দিকে তাকাতে। বাকিরাও ওকে দেখে যাচ্ছিল, কেউ কেউ একটু দূর থেকে ঘুরে ঘুরে দেখছিল। অন্য অনেক মেয়ে থাকা সত্ত্বেও সবাই যেন ওর দিকেই বেশি তাকাচ্ছিল। একজন তো ওকে বলেই ফেলল, “তোমার স্কিনটা কী সুন্দর, একদম মসৃণ আর ফর্সা।” আরেকজন হালকা হেসে বলল, “তোমাকে দেখে ভালো লাগছে, এরকম আরো ইভেন্টে আসবা।” কেউ আবার বলল, “এত সুন্দর বউ পেলে আমিও তোর মতো পাগল হয়ে থাকতাম রে।” একজন আমাকে বলল, “এখন বুঝছি আমাদের বন্ধু বাসায় তাড়াতাড়ি যায় কোন মধু খাইতে।” ও শুনে হাসছিল, একটু লজ্জা দেখালেও ভিতরে মজা পাচ্ছিল বলে মনে হচ্ছিল। তবে আমাদের কোনো ইচ্ছা ছিল না কেউ দেখুক বা কিছু হোক। কয়েকজন পরোক্ষভাবে ওর আইডি চাইল, আমি দিলাম না। একজন ওকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কি ইনফ্লুয়েন্সার? কোথায় যেন দেখেছি তোমাকে।” শুনে আমরা দুজন হেসে ফেললাম,কারণ ওর আইডি প্রাইভেট করা, ১৫/২০ জন মেয়ে আর আমাকে নিয়ে রাখা ওই এক্ট্রিম প্রাইভেট আইডি দেখলে মনে হবে দেশে কাপড়ের অনেক অভাব। ও মিষ্টি হাসি দিয়ে সবার সাথে হালকা কথা বলছিল। এত সব দেখেশুনে হঠাৎ ও আমার কানে কানে বলল, “সব ছেলেরই ধন আছে!” আমি একদম অবাক হয়ে গেলাম। ও সাধারণত ভদ্র আর শান্ত থাকে, কিন্তু ভিতরে একটা দুষ্টু স্বভাব লুকিয়ে আছে যেটা বাইরেও একটু একটু করে বের হয়। দুনিয়ার সব বোঝে, আমাকে সত্যি ভালোবাসে, তাই আমার সামনে পুরোপুরি নরম হয়ে যায়। যে ছেলেগুলো কখনো লাইন ক্রস করতে চায় না, তারাও ওকে দেখে একটু একটু করে লাইন টপকাচ্ছিল। কয়েকজন আমাদের ফ্রি ফুড খাওয়াল ও “গেস্ট” বলে।

সবচেয়ে হট পার্টটা হলো-ও শাড়ির নিচে নতুন বিকিনি সেট পরে এসেছিল, আমাকে সারপ্রাইজ দেওয়ার জন্য। সেদিন রাতে ওর বান্ধবীর বাসায় থেকে, পরের দিন সকালে আমার খালি বাসায় এল। শাড়ি খুলতেই দেখি ওর টাইট সেক্সি শরীরটা ছোট বিকিনিতে ঢাকা। আমার ধন তখনই পুরো শক্ত হয়ে গেল। ও আমাকে ধাক্কা দিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিয়ে উপরে চড়ে বসল। বিকিনির ব্রা খুলে দুধ দুটো আমার মুখের উপর ঘষতে ঘষতে বলল, “জোরে চুষ... আমার নিপল দুটো ভালো করে চুষে খা।” ওর এই অভ্যাসটা খুব প্রিয়, আমাকে জোর করে ওর দুধ চুষিয়ে পাগল করে দেয়। আমি ওর শক্ত নিপল চুষতে চুষতে ও হাঁপাতে হাঁপাতে কোমর ঘুরিয়ে রাইড করছিল। বিকেলে কফি বানাতে গেলে ও আবার এসে আমাকে শুইয়ে দিয়ে বলল, “আগে আমি তোমাকে খাই।” সেদিন চারবার আমাকে কাম করিয়ে দিল। বিকিনির ব্রাটা খুলে ওর দুধের গন্ধ এত তীব্র ছিল যে আমি বারবার নাক ডুবিয়ে শুঁকছিলাম। প্যান্টিটা ও আমার বাসায় রেখে গেছে। এই ছোট ছোট নোংরা দুষ্টুমির জন্যই আমি ওকে এত ভালোবাসি। বিয়ে হলেও চাই এভাবেই থাকুক-বাইরে ভদ্র সুন্দরী এক মেয়ে, কিন্তু আমার সামনে পুরোপুরি বেশ্যা। বাসায় যাওয়ার আগে রেডি হয়েও আমার ধন চুষে মাল খেয়ে গেছে কিন্তু রাতে ঘুমের আগে ওর ভয়েস শুনে লাগতেছিলো ওর অনেক ক্ষুধা, আমাকে কাছে পায় না মনে হয় অনেক মাস!

reddit.com
u/findme1x — 9 days ago

Her First Time in Backless Dori Blouse "মনে হচ্ছিল পিঠে কোনো সুতাও নাই"

আমার গার্লফ্রেন্ড প্রথম দিকে ছিল অসম্ভব লাজুক। বুকের ওপর থেকে ওড়না এক চুলও সরাতে চাইত না, শাড়ির আঁচল শক্ত করে বুকে জড়িয়ে রাখত, ব্লাউজের গলা একদম উঁচু করে বানাত। কারও চোখ তার শরীরে পড়লেই লজ্জায় মুখ লাল হয়ে যেত। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে ফ্রেন্ডদের ইনস্টাগ্রাম দেখতে দেখতে সে একটু খোলামেলা হতে শুরু করলো। জিন্সের প্যান্ট, স্কার্ট, টিশার্ট সব পড়তে থাকলো।

কয়েকদিন আগে রেস্টুরেন্টে যাওয়ার প্ল্যান করলাম। সে Deep wine রঙের অত্যন্ত পাতলা, সেমি-ট্রান্সপারেন্ট সাতিন শাড়ি পরে বের হল। ও জীবনে প্রথমবার Backless Dori Blouse পড়েছিলো। ব্লাউজটা শুধু দুটো সরু দড়ি দিয়ে টাইট করে ক্রস করে বাঁধা- বাকি পুরো পিঠ সম্পূর্ণ খোলা। তার নরম, চকচকে, ভারী পিঠের প্রতিটা ইঞ্চি খোলা ছিল। এতো খোলামেলা ব্লাউজ ও আগে পরে নাই কখনো বাহিরে৷ তবে মাঝে একদিন শীতকালে শুধু একটা মোটা ব্রা পড়ছিলো শাড়ির নিচে সিনেমা হলে, কিন্তু ওইদিন একটু গরম ছিলো আর ওর পুরা শরীর চাদরে ঢাকা ছিলো, মিনিমাম এক ঘন্টা ওইদিন ওর দুধ টিপছি। যাইহোক ওর এই ব্যাকলেস ব্লাউজটা এত টাইট ছিল যে তার ব্রা-এর সরু স্ট্র্যাপ দুটো পিঠের ওপর স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। সে বারবার স্ট্র্যাপগুলো ঠিক করছিল, কিন্তু টাইট ব্লাউজের জন্য সেগুলো আবার নেমে আসছিল। সামনের কাটও খুব গভীর, তার বড় ভারী নরম বুকের অনেকবেশি অংশ খোলা- গভীর খাঁজ আর মাংস দেখা যাচ্ছিল। শাড়ির কুঁচি নাভির অনেক নিচে নামানো, আলো পড়লে তার ফর্সা ত্বক, শরীরের প্রতিটা বাঁক আর অন্তর্বাসের আভাস ফুটে উঠছিল। লিফটে ওঠার পর সে লজ্জায় গাল লাল করে বারবার আঁচল টেনে খোলা পিঠ ঢাকার চেষ্টা করছিল, কিন্তু পুরো পিঠ উন্মুক্ত থাকায় কিছুই ঢাকা যাচ্ছিল না। লিফটের দুজন তার খোলা পিঠ আর ব্রা স্ট্র্যাপের দিকে তাকাচ্ছিলো। রেস্টুরেন্টে যাওয়ার সময় ওয়েটার পিছনে আসছিল, তার চোখ একদম তার নরম খোলা পিঠে আটকে গিয়েছিল। সে বারবার আঁচল টেনে পিঠ ঢাকার চেষ্টা করছিল, কিন্তু কোনো লাভ হচ্ছিল না।

দ্বিতীয় রেস্টুরেন্টে খাওয়ার পর সে লজ্জায় আমাকে ফিসফিস করে বলল, “আমার খুব অস্বস্তি লাগছে... এত খোলা পিঠ নিয়ে কখনো বের হইনি। সবাই দেখছে।” তারপরও লজ্জা-লজ্জা মুখে বলল, “তবু... একটু কম ভিড়ের কোনায় কয়েকটা ছবি তুলে দাও।” আমি ওকে রিল্যাক্স করতে বললাম, "শাড়ি পড়লে একটু শরীর দেখা যাবেই আর তুমি যে সুন্দর এমনিতেও সবাই তাকায়" একথা শুনে ও আমাকে গালে চুমু দিলো আর রিল্যাক্সড হলো। আমরা কম crowded কোণায় চলে গেলাম। সেখানে সে প্রথমে আঁচল টেনে পিঠ ঢাকার চেষ্টা করল, কিন্তু পরক্ষণেই নিজেই আঁচল সরিয়ে দিল। শাড়ির কুঁচি আরও নিচে নামাল,নাভি বের করলো, আঁচল পাতলা করে একপাশে ফেলে রাখল। পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে তার সম্পূর্ণ খোলা পিঠ, ব্রা স্ট্র্যাপ আর নিচের ভারী অংশ দেখিয়ে একের পর এক পোজ দিতে লাগল। লজ্জায় কাঁপা গলায় বলছিল, “তুলে যাও... আরও ভালো করে তুলো।” আমি তার খোলা পিঠ, গভীর cleavage আর নিচের অংশ ফোকাস করে অন্তত ৫০টা খোলামেলা ছবি তুললাম। প্রতিবার ছবির পর সে আঁচল টেনে ঢাকতে চাইছিল, কিন্তু আবার নিজেই আরও খুলে পোজ দিচ্ছিল। ফেরার লিফটেও সবাই তার খোলা পিঠের দিকে লোভী চোখে তাকাচ্ছিল।

বাসায় ফিরে আমি তাকে মেসেজ করে বললাম, “আজ সবাই তোমার খোলা পিঠের দিকে এমন করে তাকাচ্ছিল...” সে লজ্জায় বলল, “জানি... বারবার ঢাকার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু কিছুতেই ঢাকা যাচ্ছিল না, সবার তাকানো দেখে মনে হচ্ছিল পিঠে কোনো সুতাও নাই, তবু তোমাকে দিয়ে ছবি তুলিয়ে নিলাম।” আমি বললাম "আমার তো লাগতেছিলো তুমি খোলা পিঠেই বাইরে গেছো, অনেক বেশি খোলামেলা ছিলো পিঠ" তার মধ্যে লজ্জা ছিল। তবে বাসায় এসে সে সেই খোলা পিঠের সবচেয়ে সেক্সি ছবিগুলো ক্লোজ ফ্রেন্ডস স্টোরিতে দিয়ে দিল, সাথে কিছু স্লাটি মিরর সেল্ফিও স্টোরি দিলো। আর আমাকে ওর ফুল ব্যাকলেস ন্যাকেড ব্যাকের ছবি, ভিডিও দিয়ে টার্ন অন করলো।

u/findme1x — 15 days ago

One day when Dad was out of town and Mom and I were alone at home, things got unexpectedly naughty. Mom is usually a bit conservative, but when no one’s around she likes to stay a little relaxed and free. A few days ago, Mom called me into her room. She looked a bit shy but determined.

“Son, I want to order something online but I don’t know how to do it properly,” she said. I opened her phone and saw she was on a Facebook post for bras. She pointed at one design and said, “Can you order this for me? Size 38.” I paused and asked, “Sure? Let me confirm the size first.” Mom stood up and said, “Okay, measure it once more.” She was wearing a thin top. She tried measuring over her top but kept saying it wasn’t accurate. Then she casually said, “The top is getting in the way,” and pulled it off. Now she was standing in front of me wearing only a black bra. Her big, heavy breasts looked even fuller in that tight black bra. I tried to act normal and said, “Okay, I’ll help you.” I stood close behind her. The moment my fingers touched the bra strap, I could smell her warm body scent. It hit me instantly. I tightened the measuring tape around her breasts. Her soft, warm flesh pressed against my hands. I could feel how heavy and full they were.

“38 inches…” I said, but then I loosened and tightened the tape again slowly, pretending to be sure. Actually, it was coming around 39. Mom’s breathing got a little heavier. She was adjusting her bra straps in front of me, pulling them up, fixing the cups, making her breasts settle nicely. The way she touched and adjusted her own bra right in front of me was driving me crazy. I finally said in a low voice, “Mom, 38 will be a bit tight… but it’ll look really good on you. Your breasts will stay supported and shaped nicely.” She got a little shy, her cheeks turning pink. “Accha… whatever you think is better,” she said softly.

The whole time I was measuring her, my dick was rock hard — one of the hardest boners I’ve ever had. The scent of her body, the warmth of her soft breasts, and watching her adjust her black bra straps in front of me made it almost impossible to control. Even after I finished measuring, the sexual tension between us stayed thick in the room. Mom didn’t put her top back on immediately. She just stood there, breathing a little fast, looking at me with shy but naughty eyes. I don’t know what’s going to happen next, but that day… the line between mother and son got a lot more dangerous.

reddit.com
u/findme1x — 18 days ago

আমার গার্লফ্রেন্ড সবসময় খুব লাজুক ছিল। ওর পোশাক ছিলো অনেক নরমাল, শাড়ির আঁচল শক্ত করে জড়ায়ে রাখত। একটু হাত লাগলেও লজ্জা পাইতো। কিন্তু এখন ও পুরোপুরি বদলে গেছে। গতো ঈদের কয়েকদিন পর ও নিজে নিজে সাদা শাড়ি পরে প্রায় ১০/১২টা ছবি তুলছে।তখন ওর শরীরটা একটু ভরাট ছিল, নরম আর মোটা মোটা। বুক অনেক বড় আর ভারী ছিলো। শাড়ির ব্লাউজটা অনেক টাইট ছিলো। দুইটা ছবিতে তো বুকের খাঁজটা অনেক বের হয়ে ছিলো। ব্রা-এর ফিতা বাইরে বের হয়ে ছিলো। শাড়িটা ইচ্ছে করে অনেক নিচে বাধা ছিলো। পুরো পেট বের করে দিয়েছে, নরম ভরাট পেটটা সামনে ঠেলে আছে। নাভিটা গভীর তার ঠিক উপরে চেইনটা ঝুলছে। চেইনের লকেটটা নাভির ভিতরে ঢুকে যাচ্ছে নড়াচড়ায়। সবচেয়ে জোস মিরর সেলফিটায়, আঁচলটা খুব পাতলা করে ফেলে রেখছিলো। ভারী বুকের পুরো আকার, পেটের নরম ভাঁজ, কোমরের গভীর বাঁক- সবকিছু আবছা আবছা ফুটে উঠেছে। শরীরের প্রতিটা বাঁক স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

হালকা এডিট করে ও এসব ছবি ইনস্টায় দিয়ে দিছে। সবাই এখনো AI ভাবতেছে। ক্লিভেজ আর নাভির চেইনের কারণে ছবিগুলা অন্যরকম লাগতেছিলো। একজন মিরর পিকের কথা লিখেছে “এটা তো রিয়েল লাগতেছে”- ও তাড়াতাড়ি কমেন্ট ডিলিট করে তাকে ব্লক করে দিছে। কয়েকটা মেয়ে ফ্রেন্ড ইনবক্সে লিখেছে, “তোর ছবি কি দিয়ে ইডিট করছিস?” ও শুনে বলে "আরে এটা আমিই, একটু ইডিট করছি খালি" শুনে ওরা আরো অবাক। আমি যখন সব দেখে জিজ্ঞেস করলাম, “এত খোলামেলা ছবি কেন?” ও বলল, “তুমি কি রাগ করছো? সবাই তো AI ভাবতেছে... আরও খোলামেলা থাকলেও কিছু হতো না। আমি শুধু মজা করতে দিছি।” তারপর আরও বলল, “এই শাড়িটা এভাবেই পরে তোমার সাথে সিনেমা দেখতে যাব। আরেকটু ঢোলা ব্লাউজ পড়বো?” আমি বলছি "না এটাই থাক" ও শুনে দুষ্ট হাসি দিলো।

ও এরপর আমাকে আরো কিছু ছবি ইনবক্সে দেয় যেগুলা অনেক বেশি খোলামেলা ছিলো। তবে ও যখন আমার বন্ধু ছিলো অনেক বছর আগে (কিন্তু আমরা একজন আরেকজনকে অনেক পছন্দ করতাম), তখন একদিন ও কালো শাড়ি পড়ে ইনবক্সে ছবি দিছিলো। আমার রিয়েকশন দেখে খুশি হয়ে রাতে ও অনেক খোলামেলা ছবি দিছিলো ওইগুলা আর কোনো ছবি বিট করতে পারবে না। ওর সাদা শরীরে কালো শাড়ি দেখে অনেক সুন্দর লাগতেছিলো। আমি পাগলের মতো দেখছিলাম। এর এক মাসের মধ্যে ও আমার বিছনায় আসে প্রথমবার, ওর টাইট সাদা দুধ আমার মুখে ঘষে, আমাকে চুমু খায় ইচ্ছামতো। যাইহোক আমি ওর পোস্ট নিয়ে আর কিছু বলি নাই, একটু কোন্ট্রল করা কমাইছি ইদানীং, তাইলে মেয়ে মানুষ বেশি ভালোবাসে।

reddit.com
u/findme1x — 18 days ago

আমি আর আমার গার্লফ্রেন্ড অ্যানিভার্সারি নিয়ে এবার প্ল্যান করছি। আমরা ঢাকার দুটো ফাইভ স্টার রেস্টুরেন্ট Amber আর Yumi Sheraton এগুলোর একটাতে ডিনার করতে যাব। সাধারণত ও খুব বেশি খোলামেলা ড্রেস পরে না। জীবনে মাত্র ৪/৫ বার এরকম কিছু পরছে। কিন্তু এবার অ্যানিভার্সারি বলে ও নিজেই আমাকে বলল, “এবার আমি একটু খোলামেলা আর ছোট টাইট কোনো ড্রেস পরতে চাই, ছবি তুলে দিবা আমাকে অনেকগুলা”

ও আমাকে কয়েকটা ছবি পাঠাইছে মিল্কমেইড স্টাইলের ড্রেসের। ড্রেসটা অনেক ছোট, হাঁটুর অনেক উপরে। উপরের অংশটা ওর বুকের কাছে খুব টাইট হবে, মাঝে সুন্দর ফিতা বাঁধা। ওর দুধ বেশ বড় তাই কোনোদিন এভাবে বাইরে বের করে পরেনি। ড্রেসটা পরলে ওর দুধ দুটো অনেকটা উপরে ঠেলে উঠবে, ফিতার টানে টানটান হয়ে থাকবে, দুধের ক্লিভেজ ডিপলি দেখা যাবে। ও নিজে বলছে, “দেখো, আমার দুধ হয়তো একটু বের হয়ে থাকবে, আর ওইখানে কেউ তো থাকবে না তেমন” নিচের অংশটা ও চায় আরও ছোট করতে। ও বলল, "ড্রেসটা এমন হাইটে বানাবো যে হাঁটলে যেন লেগস আর একটু শেপ বুঝা যাবে, পিছে নিচের পাছার একটু একটু বের হবে হয়তো, শুধু একটু করে যাবে।" ও হেসে বলল,“আরে কেউ দেখবে না তো তুমি ছাড়া। আমার সব তো শুধু তোমারই। তুমি যদি বলো, আমি কাস্টমাইজ করে আরও শর্ট ফিটিং করে বানাবো।”

ওর ফেসটা খুব কিউট আর স্লাটি, শরীরটা এত আকর্ষণীয় যে যেকোনো কাপড় পরলেই ওকে দেখতে খুব Attractive লাগে। এই ড্রেসটা পরলে ওকে আরও attractive লাগবে। বুকের দুধ টাইট ফিতায় চেপে উঠে থাকবে, কোমড়ে ফিতা দিয়ে টাইট করতে চায়।ও খুব এক্সাইটেড এসব নিয়ে। বলছে এই ড্রেস পরে অনেক ছবি তুলবে। ও যখন ওর কিউট ফেস নিয়ে আমার কাছে এসে পারমিশন চায়, তখন আমি আর মানা করতে পারি না। আগে যতবার আমি ওকে পারমিশন দিছি, প্রতিবারই ও আমাকে অনেক বেশি করে খুশি করেছে- মানসিক,শারীরিক-সবভাবে। ও আমাকে এত ভালোবাসে যে ওর মন খুশি হলে ও নিজেকে পুরোপুরি আমার কাছে সঁপে দেয়। লাস্টবার যখন আমি ওকে খুব খোলামেলা করে শাড়ি পরতে দিয়েছিলাম, সেই রাতে ও আমাকে ঘুমাতে দেয়নি। শাড়ি পড়ে ব্লোজব দিয়ে মাল বের করছে, হাতাকাটা ব্লাউজ পরে রাইড নিসে, সারারাত আমাকে এতবার চুদে চুদে খাইয়েছে যে সকালে আমার শরীর একদম দুর্বল হয়ে গিয়েছিল। অনেকবার কাম করার পরও ও ছাড়েনি, ভোর বেলা ওর দুধের মধ্যে নিয়ে আমাকে ঘুম পাড়ায় দিছিলো।

এবারও যদি এই ড্রেসটা আমি ওকে পরতে দেই, তাহলে কী হবে কে জানে। ড্রেসটা অনেক বেশি খোলামেলা। জায়গাটা আর দিনটা বিবেচনা করে আমার কি ওকে এটা পরতে দেওয়া উচিত? অবশ্য সেখানে খুব বেশি মানুষ ওকে দেখবে না, মূলত আমিই ওর সবটা উপভোগ করব। আমি চাই ও খুশি হোক।

Note: Pic added for reference/demo, not of the real person.

u/findme1x — 22 days ago