She warned me "আমিও তাইলে বেশ্যাদের মতো ড্রেস পরা শুরু করি"
আমাদের সম্পর্কটা অনেকদিনের, কিন্তু অনেকদিন ধরেই একটা সমস্যা চলছিল। আমি আমার রিভিলিং ড্রেস পরা মেয়ে ফ্রেন্ডদের সাথে খুব মিশতাম, তাদের সাথে স্টোরিতে ছবি দিতাম, ক্লোজ পিক তুলতাম, মজা করতাম। আমার গার্লফ্রেন্ড সব দেখে সে অনেকদিন ধরে মন খারাপ করত, কিন্তু কখনো খুব বেশি কিছু বলত না। সে ছিল খুবই ভদ্র, শান্তশিষ্ট, তার ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার ফলোয়িং মিলিয়ে মাত্র ৫০-৬০ জনের মতো, কোনোদিন কোনো খোলামেলা ছবি দিত না, সাধারণ শাড়ি বা সালোয়ার কামিজেই থাকত। হঠাৎ ২০২৫ সালের একদিন সে আমাকে বলে বসল, “তোমার যদি এসব এইসব ভালো লাগে তাহলে আমিও তাইলে বেশ্যাদের মতো ড্রেস পরা শুরু করি।” কথাটা শুনে আমি হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলাম, কিন্তু সেদিন থেকেই সব বদলে গেল। প্রথমে অনেক ঝগড়া হলো, সে তার প্রাইভেট আইডি পাবলিক করে দিল, আমাদের কথা প্রায় এক সপ্তাহ বন্ধ থাকল। তারপর সে তার বান্ধবীদের নিয়ে বাইরে বেরোতে শুরু করল। প্রথমদিন একটা নীল শাড়ি পরে সাধারণ একটা পোস্ট দিল, তাতেই অনেক রেসপন্স আসতে শুরু করল। পরের দিন লাল শাড়ি পরল অনেক খোলামেলা করে, যেভাবে সে আগে কখনো শাড়ি পরেনি। আমি ৭-৮টা ছবি দেখে অবাক হয়ে গেলাম, বিশেষ করে শেষের ৩-৪টা ছবিতে পেট, ক্লিভেজ এত স্পষ্ট যে বলার বাইরে। প্রথম ছবিটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছিল। কমেন্ট সেকশনে ছেলেরা লিমিট ছাড়িয়ে কথা বলতে শুরু করল, কিন্তু সে কোনো রিপ্লাই দিত না। এরপর জিন্স-টপস পরে একটা পোস্ট দিল, তারপর হঠাৎ একটা বডিকন ড্রেসের পোস্ট দিল যেটা দেখলে যেকোনো মানুষের মাথা খারাপ হয়ে যেত। তার আইডির পাসওয়ার্ড আমার কাছে ছিল, সে হয়তো ভুলে গিয়েছিল, আমি ঢুকে সব দেখলাম। যে মেয়ের পোস্টে আগে ১৫-২০টা লাইক আসত, এখন ভিউ ১৫-২০ হাজার ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ইনবক্স খুলে আরও অবাক হয়ে গেলাম, শুটআউট ছাড়াই তার ছবি পোস্ট করার পর আইডিটা আরও বেশি ফেমাস হয়ে গেল। প্রথম ৩-৪ দিন সে কিছু রিপ্লাই দিলো না, কিন্তু আস্তে আস্তে রিপ্লাই দিতে শুরু করল। আমি কিছু বলছি না দেখে লুচ্চা ছেলেগুলো দু-তিন দিনের মধ্যেই উল্টাপাল্টা কথা বলা শুরু করে দিল। দুই-তিনটা বাজে ছেলে সরাসরি শরীর নিয়ে কথা বলতে শুরু করল, সে কিন্তু কোনো রেসপন্স দিত না। আমার ভালো লাগছিল না, যে শরীর আমি সারাজীবনে দেখেছি সেই শরীর এখন সবার সামনে খোলামেলা হয়ে যাচ্ছে আর আমি কিছুই করতে পারছি না।
অবশেষে আমি তাকে অ্যাপ্রোচ করলাম যে এসব থামাও। সে আমাকে বলল, “কে তুমি? তুমি তো তোমার ওই ফ্রেন্ডদের সাথে মিশো যারা এমন ড্রেস পরে।” আমি বুঝলাম সে অনেক কষ্ট পেয়েছে। তারপর সে জানাল যে একটা ছেলের সাথে ঘুরতে যাবে আর আমি কিছু বলতে পারব না। সে গেল, ছেলেটা খুব ফাউল ছিল, মেসেজে আগের ফ্রেন্ড টাইপ ছিল কিন্তু প্রথম দিনেই জোর করে হাত ধরতে চাইল, তেমন কোনো কথা না হলে সে আমাকে কল দিয়ে বলল সে কল কেটে দেয়। তারপর সে আমার বাসায় এসে আমাকে মানানোর চেষ্টা করল। সেদিন বাসায় কেউ ছিল না। সে বলল সে ভুল করেছে। আমি শুধু বললাম, “আমার ওই ফ্রেন্ডদের সাথে আমি শুধু মিশি, ভিতরে এমন কিছু নেই, তুমি তো জানো। কিন্তু এখন তোমার এসব আমি মেনে নিতে পারব না।” সে অনেক সরি বলল, বলল এখন থেকে আমার সব কথা মানবে। নিজে থেকেই আরো বলল যে সে কিছু ক্লোজ ফ্রেন্ডস স্টোরিতে আরও রিভিলিং ছবি দিয়েছে, আমি সেগুলো দেখে অবাক হয়ে গেলাম। তার একটা অদ্ভুত ব্লাউজ ছিল, দেখলে মনে হয় ব্লাউজটা দুধ দুটো ধরে রেখেছে, সেই স্টাইলের ব্লাউজ পরা কয়েকটা ছবি। যাইহোক, সে অনেক জোরাজুরি করল কিন্তু আমি মানলাম না। তারপর সে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করল যে উল্টাপাল্টা কিছু করবে। আমি আর কিছু বললাম না। সেদিন রাতে সে আমার সাথেই থাকল, বান্ধবীর সাথে থাকবে বলে কল দিয়ে বলল। সে একটা শাড়ি পরা ছিল। সেদিন রাতে আমাদের আর ঘুম হয়নি। সেদিন রাতে আমরা বেশ ওয়াইল্ড ছিলাম, তার ব্লাউজের হুক খোলার সময় টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেললাম আর তার ঠোঁট কেটে ফেললাম খাওয়ার সময়। ঠোঁট কেটে গেলে সে অনেক জ্বালা করছিল, একটু কাঁদার মতো করতে থাকল, কিন্তু তখন আমি তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিলাম আর তার ভোদায় মুখ দিয়ে দিলাম। তার ভোদায় আর মাথায় হাত বা মুখ দিলে সে পুরোপুরি শান্ত হয়ে যায়। একবার এক ফ্রেন্ডের সাথে হেভি মেকআউট করে ধরা খাই, ওইদিন ও অনেক কান্না করে কিন্তু আমি ওকে অনেক আদর করি সেদিন, কিন্তু ওর ভোদা এতো বাজে ভাবে চুষি যে সেদিনের কথা ও জীবনেও আর ভুলে নাই৷ আর আমিও সেদিনের পর আর এসব আকাম খুব একটা করি নাই৷ ও মাঝে মাঝে মজা করে বলে "এরপর এমন করলে বইলো আবার ওইভাবে ভোদায় মুখ দিবা"। ভোর রাতে আমার একটা গেঞ্জি আর তার প্যান্টি পরে সে আমার কোলের মধ্যে ঘুমিয়ে গেল। পরের দিন ওই গেঞ্জি আর আমার একটা প্যান্ট পরেই বাসায় গেল। আমার গেঞ্জি পরে তার দুধ অনেক লাফাচ্ছিল, আমি বললাম, “দেখাইতে দেখাইতে যাবা নাকি?” সে বলল, “না, আমি আস্তে আস্তে যাব যেন দুধ না লাফায়।” তার কথা শুনে আমি হেসে দিলাম। ও আর বলল "দুধ যা করার করছো একমাস আর ধইরো না, এক রাতে অনেক ফুলে ফুলে গেছে লাগতেছে"। সেদিন সে তার আইডির সব খোলামেলা জিনিস রিমুভ করে দিল। কিন্তু আমার কাছে পাস ছিল তাই দেখতে পারলাম, ছেলেদের কত মেসেজ রিকোয়েস্ট আসছে। আমিও ভিতরে সাবধান হয়ে গেলাম যে তাকে ছেড়ে দিলে তাকে খাওয়ার মানুষের অভাব নেই।
এরপর থেকে সে আস্তে আস্তে আগের মতো হয়ে গেল, কিন্তু সেই ঘটনাগুলো আমাদের সম্পর্ককে আরও গভীর করে দিল। আমি বুঝলাম সে কতটা ভালোবাসে, আর সে বুঝল আমারও সীমা আছে। সেই ওয়ার্নিংটা আজও কানে বাজে, “আমিও তাইলে বেশ্যাদের মতো ড্রেস পরা শুরু করি।” সেই কথাটা আমাদের জীবনের একটা টার্নিং পয়েন্ট হয়ে রইল। আমি ওকে বলি তুমি তোমার ইচ্ছামতো জামা পরো এখন থেকে বাট খুব বেশি খোলামেলা না। এর পর থেকে ওর একটু ড্রেসিং সেন্স পরিবর্তন হয়, স্কার্ট পরে সবচেয়ে বেশি। কিছু কিছু দিন ও আমার বা ওর স্লাটি ফ্রেন্ডদেরকেও হার মানিয়ে দেয় ওর খোলামেলা ড্রেসের মাধ্যমে, কিন্তু কেন যেন ওর সুন্দর চেহারা থাকার জন্য সব ফোকাস সেদিকেই বেশি যায়, ব্যাপারটা আমার ভালোই লাগে!